ঝুঁকিতে পারাপার হাজারো মানুষের
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী-কলারন ফেরিঘাট প্রায় ২০ বছর ধরে বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করছেন হাজারো যাত্রী।
২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরে কলারন প্রান্তের ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ফেরিঘাটটি পুনরায় চালু হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, জরাজীর্ণ ঘাট ব্যবহার করে যাত্রীরা ট্রলারে নদী পার হয়ে কলারন থেকে বাসে পিরোজপুর, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করছেন। ঘাটের বেহাল অবস্থার কারণে মোটরসাইকেল ওঠানামা এবং বর্ষাকালে নদী পারাপারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ট্রলারই তাদের একমাত্র ভরসা। বৈরী আবহাওয়ায় ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকলে রোগী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। দ্রুত ফেরি চালুর দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় সাংবাদিক অমল তালুকদার ও ডা. নাসির উদ্দীন জোমাদ্দার বলেন, ট্রলার সংকটের কারণে প্রায়ই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাসিন্দা আল আমিনের ভাষ্য, ফেরি না থাকায় প্রতিদিন নারী-শিশুসহ হাজারো মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বাগেরহাট রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বলেন, ফেরিঘাটটি চালু হলে মোরেলগঞ্জের সঙ্গে ইন্দুরকানীর কলারন, পিরোজপুর, শরণখোলা, মোংলা ও সুন্দরবন অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, সন্ন্যাসী-কলারন ফেরিঘাটটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি পুনরায় চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।