যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সুন্দরবনে অনুপ্রবেশ রোধে খালের মুখে বেষ্টনী, টহলে ড্রোন

এসএম সাইফুল ইসলাম কবির

, বাগেরহাট

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই,২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
সুন্দরবনে অনুপ্রবেশ রোধে খালের মুখে বেষ্টনী, টহলে ড্রোন

সুন্দরবনের গভীরে অপরাধীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা শাখা-প্রশাখা খালের নয়টি প্রধান সংযোগপথে কাঠের বেষ্টনী নির্মাণ করে সিলগালা করেছে বন বিভাগ। পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন প্রযুক্তিও।

বন বিভাগের দাবি, এই দুই উদ্যোগের ফলে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার, মাছের পোনা নিধন এবং হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকারের উদ্দেশ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

চলতি বছরের পহেলা জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকাল চলছে। এ সময়ে অসাধু জেলে ও শিকারিরা যাতে গভীর বনে প্রবেশ করে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, মাছের পোনা নিধন কিংবা বন্যপ্রাণী শিকার করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শরণখোলা রেঞ্জে ভোলা খাল এবং দাসের বাড়ানি (ডাকাতের খাল) খালের মুখে কাঠের বেষ্টনী স্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে, চাঁদপাই রেঞ্জে মরা ভদ্রার ভাড়ানি, জিয়ার ভাড়ানি, নওশের আলী ভাড়ানি, সূর্যমুখী খাল, ঢাংমারী স্টেশনের হুলার ভাড়ানি, করমজল স্টেশনের চারা খালি এবং ৮ নম্বর খালেকের ভাড়ানিসহ মোট সাতটি খালের মুখ বন্ধ করা হয়েছে।

শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, অসাধু চক্রের যাতায়াত বন্ধ করতে এই রেঞ্জের দুটি গুরুত্বপূর্ণ খালের মুখে কাঠের বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে। এতে মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত হবে এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একইসঙ্গে টহলের সময় ড্রোন ব্যবহারের ফলে অল্প সময়ে বৃহৎ এলাকা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। এর সুফল ইতিমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, খালের মুখ কাঠের বেষ্টনীর কারণে এলাকায় অপরাধের মাত্রা কমেছে। জলজ প্রাণী, মাছের প্রজনন ক্ষেত্র এবং সুন্দরবনের সামগ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, সুন্দরবন রক্ষায় শুধু বন বিভাগের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় স্থানীয় জনগণ, জেলে সম্প্রদায় এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)