যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

মহেশপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ১৬ আগস্ট,২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
আপডেট : রবিবার, ১৬ আগস্ট,২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে রোগী ও হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সারদার মো. শাখাওয়াত হোসেন। এ সময় হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত লোকজনের কাছে ঘুস দাবি করার অভিযোগে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি ঘুসের টাকা না দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

রোববার সকালে আকস্মিকভাবে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসাসেবা ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন।

পরে তিনি ওষুধের স্টোর, স্টক রেজিস্টার, অপারেশন থিয়েটার এবং হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান ব্যবস্থাপনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের অফিস কক্ষে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি খোলামেলা আলোচনা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হেলেনা আক্তার নিপা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানান, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকট রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি) ফোন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত লোকজনের কাছ থেকে ঠিকাদার জনৈক মনিরুল এক লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুস দাবি করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের ঘুসের টাকা না দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং ঠিকাদার মনিরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত যেসব ব্যক্তি এখনো বেতন পাননি, তাদের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের অন্যান্য সমস্যাও দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতাল বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালটি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হেলথ সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার শয্যার দশ থেকে ১২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল নারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক হাসপাতালে চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকেন। সরকারি ওষুধ মজুত থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে হয়। কোথাও কোথাও হাসপাতালের পরিবেশও অপরিচ্ছন্ন থাকে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যেই আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)