সুবর্ণভূমি ডেস্ক
সংগৃহীত
ছবি:
স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা ও ১৩টি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।
এর মধ্যে চলতি বছর ৩ হাজার ৯৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হবে বা নির্বাচন উপযোগী হবে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতিও সম্পন্নের পথে। ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র, আচরণবিধি ও নির্বাচনী সামগ্রী সংগ্রহসহ প্রয়োজনীয় কাজ গুছিয়ে এনেছে কমিশন।
সেপ্টেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। তবে মামলা ও সীমানা নির্ধারণ-সংক্রান্ত জটিলতা থাকা ইউনিয়নগুলোতে নির্বাচন পরে অনুষ্ঠিত হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সার্বিকভাবে প্রস্তুত। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারিত রয়েছে।
পরীক্ষায় যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে। সম্ভব হলে পরীক্ষার আগেও নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে। এ মাসের প্রথমার্ধে কোন ধাপে ও কখন নির্বাচন হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের পরিকল্পনা করেছে কমিশন। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরিতে বহাল রেখে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে কমিশন অনড় রয়েছে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সবাই একটি ভালো নির্বাচন চায়। নির্বাচন কমিশনও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে চায়। এ জন্য অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করা গেলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বিপুলসংখ্যক নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের নিরপেক্ষ রাখা গেলে অনেকাংশে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন সহজ হবে।
ইসি জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।