স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
সাত দফা দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে যশোরে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলসমূহ।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-খুলনা-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসাইন বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকট চলছে। সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। জুলাই বিপ্লবের শত শত শহীদের রক্তে অর্জিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে, যা জনগণের সঙ্গে একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের মেয়াদ এক বছর পূর্ণ না হতেই মানুষ অনাস্থা প্রকাশ করতে শুরু করেছে। এ কারণে জামায়াতসহ সমমনা দলগুলোর সাত দফা দাবি এখন দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবিতে পরিণত হয়েছে।’
লংমার্চের রূপরেখা তুলে ধরে মোবারক হোসাইন জানান, ঢাকা থেকে শুরু হয়ে খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া পর্যন্ত এই লংমার্চ বিস্তৃত হবে। ৩১ অক্টোবর বিকেলে যশোরের রাজঘাট থেকে বারবাজার পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার মানুষ সড়কে অবস্থান করবেন। লংমার্চের বহরটি শহরের মুড়লী মোড়ে পৌঁছালে সেখানে আড়াই লাখ মানুষের গণজমায়েত হবে। এরপর লংমার্চ মণিহার মোড়, হাইকোর্ট মোড় এবং উপশহর-পালবাড়ি রুট হয়ে কুষ্টিয়ার দিকে অগ্রসর হবে। তবে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে চাঁচড়া চেকপোস্ট থেকে পালবাড়ি পর্যন্ত সড়কটি উন্মুক্ত রাখা হবে।
লংমার্চের শৃঙ্খলা রক্ষায় ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক, অ্যাম্বুলেন্স, মেডিকেল টিম, পানি সরবরাহ ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা নিয়োজিত থাকবেন বলে সভায় জানানো হয়। তিনি এই লংমার্চ সফল করতে সর্বস্তরের জনগণকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা জামায়াতের আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রছুল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সম্পাদক মুফতি রাশেদুল ইসলাম, এনসিপির যশোর জেলা আহ্বায়ক নুরুজ্জামান, সদস্য সচিব নুরুজ্জামান রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম এবং জামায়াত নেতা শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস।