যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ২ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মণিরামপুরে জামায়াতের ওপর হামলার দাবি এমপি এনামুলের

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : শুক্রবার, ১ মে,২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
মণিরামপুরে জামায়াতের ওপর হামলার দাবি এমপি এনামুলের

যশোরের মণিরামপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো কারণ ছাড়াই জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর দুই দফা হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণ করেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকসহ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।

শুক্রবার বিকেলে প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের এই দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মণিরামপুর বাজার মসজিদের পূর্ব পাশে তার (এমপি) বাসভবনের নিচে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল গাজী, সাইদুল ইসলাম ও এজাজুলের নেতৃত্বে মামুন, মাসুদ, সফিয়ার, কামরুল, সিরাজসহ বিএনপির ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকে জখম করে। তারা মাটির নিলামের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে বিএনপির সন্ত্রাসীরা একটি মিছিল করে। সে সময় মিছিল থেকে হামলা চালিয়ে তাদের সংগঠনের উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, জেলা শাখার শুরা সদস্য মাওলানা মহিউল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেনসহ ১৫-২০ জনকে আহত করে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলে তারা ঢিলেঢালা মনোভাব দেখায়। পরে জামায়াতে ইসলামীর অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধে সে কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীরা।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, রাত সাড়ে দশটার দিকে তাদের নেতাকর্মীরা বাড়ি ফিরে যাচ্ছিলেন। মণিরামপুর হাসপাতালে সামনে পৌঁছালে ফের তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়। সেখানে নায়েবে আমির মাওলানা লিয়াকত আলীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করা হয়। কিন্তু গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে আনাস নামে এককর্মীর পায়ে বিদ্ধ হয়। লিয়াকত আলীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে যখম করা হয়। আবু তালহা ও আব্দুল মুমিন নামে দুই কর্মীকে পিটিয়ে তাদের পা ভেঙে দেয়।

সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, এই ঘটনায় বিএনপি নামধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে আটক করতে হবে এবং জামায়াত কার্যালয় ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাদের দাবি না মানলে পরবর্তী যেকোনো পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকে নিতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন সংসদ সদস্য।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন, মণিরামপুর উপজেলা আমির অধ্যাপক ফজলুল হক, সেক্রেটারি অধ্যাপক খলিলুর রহমান, আবু সালের মো. ওবায়দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ মোড়ল, গাজী মকিতুল হক, অ্যাডভোকেট তাজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)