সুবর্ণভূমি ডেস্ক
পণ্য আমদানিতে এলসি বা ঋণপত্র খোলা বেড়েছে। গত এপ্রিলে ৬৭৯ কোটি ডলার বা ৬ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার এলসি খোলা হয়েছে। যা আগের মাসের তুলনায় ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়েছে। মার্চে এলসি খোলার পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কাটায় এবং নির্বাচনের পর ব্যবসায়িক আত্মবিশ্বাস ফেরায় আমদানিকারকরা নতুন করে বিনিয়োগ ও এলসি খুলতে শুরু করেছেন। আবার নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন বা পুরনো কারখানা সম্প্রসারণের জন্য মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে এলসি খোলা বেড়েছে। এসব কারণে সার্বিকভাবে এলসি খোলার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এলসি খোলার পাশাপাশি নিষ্পত্তির হারও বেড়েছে। গত এপ্রিলে আমদানির এলসি নিষ্পত্তি ৬৫১ কোটি ডলার বা ৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। গত মার্চে তা ছিল ৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এলসি নিষ্পত্তি ৩৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়েছে।
গত এপ্রিলে সবচেয়ে বেশি ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার এলসি খুলেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ সময় ব্যাংকটি ৪৯ কোটি ডলারের এলসি নিষ্পত্তি করেছে। সিটি ব্যাংক ৪১ কোটি ডলার, পূবালী ৩৫ কোটি ডলার, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ৩৪ কোটি ডলার এবং ইসলামী ব্যাংক ৩১ কোটি ডলারের এলসি খুলে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশে ডলার সংকটের কারণে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ডলার বাজার স্থিতিশীল হওয়ার পর আমদানিতে কড়াকড়ি তুলে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে এলসি খোলা আগের তুলনায় বেড়েছে।