যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

তিস্তায় ধেয়ে আসছে ভারতীয় ঢল, বিপৎসীমার কাছাকাছি পানি

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : রবিবার, ২১ জুন,২০২৬, ১০:৩৩ এ এম
আপডেট : রবিবার, ২১ জুন,২০২৬, ১০:৪২ এ এম
তিস্তায় ধেয়ে আসছে ভারতীয় ঢল, বিপৎসীমার কাছাকাছি পানি

ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সবকটি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থান করছে। যেকোনো সময় পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আজ রবিবার (২১ জুন) সকালে হাতীবান্ধায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার মাত্র পাঁচ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ভারত থেকে প্রবল গতিতে পানি বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসার কারণে জেলার নদী তীরবর্তী মানুষ ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত কয়েক দিন ধরে ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় সেখান থেকে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল ধেয়ে আসছে। এতে তিস্তা নদীতে পানিপ্রবাহ আকস্মিকভাবে বেড়ে গেছে। ডালিয়া পয়েন্টে পানি গত কয়েক দিনে কিছুটা কমলেও আজ সকাল থেকে তা আবারও দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। পানির প্রবাহ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে যেকোনো সময় পানিবন্দি হয়ে পড়তে পারে নদীপাড়ের হাজার হাজার পরিবার।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার ওপর দিয়ে তিস্তা নদী বয়ে যাওয়ায় নদীতে সামান্য পানি বাড়লেই জেলার সব উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো প্লাবিত হয়। ইতোমধ্যেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

জেলা বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় যেকোনো সময় নদীর নিম্নাঞ্চল পুরোপুরি প্লাবিত হতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নদী তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে ও সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

হাতীবান্ধার গড্ডিমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা মোবারক আলী বলেন, ভারত থেকে প্রচুর পানি ধেয়ে আসছে। যেকোনো সময় আমাদের নিচু এলাকার ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়তে পারে। আমরা আতঙ্কে আছি।

তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তার পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পানির চাপ কমাতে ব্যারাজের ৪৪টি গেটের সবকটিই খুলে রাখা হয়েছে।

পাউবোর লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, ভারত থেকে অনবরত পানি আসায় তিস্তার পানি বাড়ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল দ্রুত প্লাবিত হবে। তাই এসব অঞ্চলের জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। আমরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)