সুবর্ণভূমি ডেস্ক
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ‘ম্যাচ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি বলবো ব্রাজিল ম্যাচের চেয়ে কঠিন হবে।’ বোস্টন স্টেডিয়ামে ‘টার্টান আর্মি’র মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মরক্কোর মিডফিল্ডার আজ্জেদিন উনাহি।
তার কথায় ব্রাজিল সমর্থকদের কারও কারও আঁতে ঘা লাগতে পারে। তবে বোস্টনে শেষ বাঁশি বাজার পর দেখা গেল উনাহির কথা একদম মিথ্যে নয়।
‘সি’ গ্রুপে শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে শক্তির নিরিখে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের চেয়ে ব্রাজিল ও মরক্কোই এগিয়ে। সে ক্ষেত্রে এ দুই দলের জন্যই বেশি গোল করাটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সেই চ্যালেঞ্জ নিতে পারেনি ব্রাজিলকে ১-১ গোলে আটকে দেওয়া মরক্কো।
ম্যাচে ৭১ সেকেন্ডের মাথায় করা গোলকে পুঁজি করে শেষ পর্যন্ত স্কটিশদের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে আফ্রিকার দলটি। এবার বিশ্বকাপে এটাই প্রথম জয় মরক্কোর।
ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে মরক্কো মিডফিল্ডার ইসমায়েল সাইবারির গোলটি এবারের বিশ্বকাপে দ্রুততম। ব্রাজিলের বিপক্ষেও গোল করেন সাইবারি।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে পঞ্চম মরক্কো ৫৯ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখলেও র্যাঙ্কিংয়ে ৪০তম স্কটল্যান্ডের রক্ষণে আক্রমণে তেমন ধার ছিল না। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের মতো শুরুতে হামলে পড়েও একাধিক গোল করতে পারেনি। মোট ১২টি শটের মধ্যে দুটি রাখতে পারে পোস্টে।
স্কটল্যান্ড যে রক্ষণাত্মক শরীরনির্ভর ফুটবল খেলবে, তা জানাই ছিল। ইউরোপের দলটি ছয়টি শট নিলেও মরক্কোর পোস্টে একটি শটও রাখতে পারেনি।
তবে বিরতির পর স্কটল্যান্ডই তুলনামূলক বেশি ভালো খেলেছে। স্কটল্যান্ডের গোলকিপার অ্যাঙ্গাস গান একটি ভালো সেভ করেন। তাদের দুটি পেনাল্টির আবেদন নাকচ করেন রেফারি।