যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

তিন দিনব্যাপী লালন উৎসবের সমাপ্তি..

লালন ছিলেন মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক: প্রতিমন্ত্রী অমিত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর,২০২৬, ০৯:০০ এ এম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর,২০২৬, ০২:৫০ পিএম
লালন ছিলেন মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক: প্রতিমন্ত্রী অমিত

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব শেষ হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে আখড়াবাড়ির মূল মঞ্চের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফকির লালন সাঁই ছিলেন একজন মহান আধ্যাত্মিক সাধক। এই অঞ্চলেই ছিল তার বসবাস। তিনি ১১৫ বছর দীর্ঘ জীবন পেয়েছিলেন। তার জন্মস্থান কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়া, বৃহত্তর যশোরের হরিশপুর নাকি ফুলবাড়ী—সেটি এখন বড় আলোচনার বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো, তিনি এই দেশের ও এই অঞ্চলেরই মানুষ ছিলেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, লালন সাঁই মানবপ্রেমে বিশ্বাসী এবং পুরোপুরি অসাম্প্রদায়িক ছিলেন। তৎকালীন সমাজ যখন জাত-পাত ও ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদে চূড়ান্তভাবে বিভক্ত ছিল, সেই কঠিন সময়েও তিনি সব ধরনের সামাজিক বৈষম্য ও জাত-পাতের প্রভেদ অস্বীকার করেছিলেন।

উৎসবের শেষ দিনের এই আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদি আহমেদ রুমী, পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী এবং কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে লালন অ্যাকাডেমির শিল্পীসহ দেশবরেণ্য লালন সংগীতশিল্পীরা গভীর রাত পর্যন্ত সাঁইজির আধ্যাত্মিক গান পরিবেশন করেন।

১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৩৬ বছর আগে) কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে দেহত্যাগ করেন উপমহাদেশের এই মহান আধ্যাত্মিক সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক ও দার্শনিক। তার মৃত্যুর পর থেকে গুরু-শিষ্যপরম্পরায় অনুসারীরা লালনের দর্শন টিকিয়ে রেখেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় এবারও কালিগঙ্গা নদীর তীরের আখড়াবাড়িতে বসেছিল দেশের বৃহত্তম সাধুসঙ্গ। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি—সাধকের এই চিরন্তন বাণীকে প্রতিপাদ্য করে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় লালন অ্যাকাডেমি এই স্মরণোৎসবের আয়োজন করে।

 

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)