কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিক কলাকৌশলের মাধ্যমে চাষাবাদ উৎসাহিত করতে মোবারকগঞ্জসহ দেশের নয়টি চিনিকল এলাকার আখচাষিদের প্রণোদনা কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডিজিটাল বোতাম চেপে তিনি এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মোবারকগঞ্জ চিনিকল থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন মিলের কর্মকর্তা, শ্রমিকনেতা ও আখচাষিরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আ ন ম জোবায়ের, মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) গৌতম কুমার মণ্ডল, মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) মো. আলমগীর হোসেন, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মো. জাহিদুল ইসলাম এবং মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. সাইফুল আলম।
এছাড়া শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম এবং আখচাষি প্রতিনিধিদের মধ্যে মো. ফোরকান আলী, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. মাসুদ রানা পারভেজ, মো. আব্দুর রহিম, মো. কুদ্দুস আলী, মো. বাবুল ও মো. মুকুল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গঠনের পর বন্ধ থাকা কলকারখানাগুলো আবার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্ধ হওয়া ছয়টি চিনিকল এরই মধ্যে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে আবার চালুর প্রক্রিয়া চলছে, যেন শ্রমিক ভাইদের কোনো কষ্ট না হয়। শ্রমিকদের কল্যাণের কথা চিন্তা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সারা দেশের প্রায় ৩৯ হাজার কৃষককে এই প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’ নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে নির্বাচনের পর সরকার গঠনের মাত্র সাত দিনের মধ্যে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে কৃষকদের কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে এবং দ্রুতই তাদের কাছে নতুন ‘কৃষি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা দশটি বিশেষ সুবিধা পাবেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে বলেই সবসময় জনগণের কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিত করার কথা চিন্তা করে।