স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পদে ড. মো. মাহমুদুল হাসানকেও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ প্রদানের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।
গত ৬ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-সহকারী পরিচালক তাওহিদুল ইসলাম মামলাটি করেন। মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। সোমবার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের একটি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
অভিযুক্তরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল হাসান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ এবং তৎকালীন রেজিস্ট্রার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব।
মামলায় দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক তাওহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি, নিয়োগ নীতিমালা ও ইউসিজির নির্দেশনা লংঘন করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে ড. মো. মাহমুদুল হাসানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ ও তৎকালীন রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব পরস্পর যোগসাজসে ড. মো. মাহমুদুল হাসানের কাছ থেকে অবৈধভাবে লাভবান হয়ে এবং দুর্নীতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ প্রদান করেন।
সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ পাওয়ার পর ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বেতনভাতা বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে ৫৫ লাখ ১২ হাজার ৭৯৩ টাকা উত্তোলন করেছেন ড. মো. মাহমুদুল হাসান। অভিযুক্তরা এ ঘটনায় পেনাল কোড-১৮৬০ এর ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিমূলক অপরাধ করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে যবিপ্রবির ড. নুসরত নামে এক শিক্ষককে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে সাবেক ভিসি ড. আনোয়ার হোসেন, সাবেক রেজিস্ট্রারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।