স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর কোতোয়ালি পুলিশ পৃথক ঘটনায় এক কিশোর ও এক তরুণকে আটক করেছে। তাদের কাছ থেকে দুটি চাকু উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলো, শহরের রায়পাড়া প্রাইমারি স্কুলের পাশে রমজান আলী মিন্টুর ছেলে হায়দার আলী (১৬) এবং শহরের স্টেডিয়ামপাড়ার কবির মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া আবুল কালাম আজাদের ছেলে মিরাজুল ইসলাম (১৯)।
পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবু বক্কার খান বলেন, ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের বাদল হোসেনের ছেলে ইকরামুল হোসেন আরিফের (১৪) শহরের প্যারিস রোডে একটি ভ্রাম্যমাণ ফাস্ট ফুডের দোকান আছে। আসামি মিরাজুল ইসলামেরও একটি আছে।
গত ২৩ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে আরিফ দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। ডিসি অফিসের গেটের সামনে পৌঁছালে মিরাজ তার গতিরোধ করে এবং একশ’ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে মারপিটের ভয় দেখায়। এরপর তার কাছে থাকা একটি চাকু দিয়ে আরিফকে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়। আরিফের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে মিরাজকে আটক করে পুলিশে দেয়। আর আরিফকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই ঘটনায় আরিফের মা হালিমা খাতুন থানায় মামলা করেছেন।
অন্যদিকে, পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে দড়াটানা পুলিশ বক্সের সামনে কিশোর হায়দার আলী ঘোরাফেরা করছিল। সন্দেহ হলে তার দেহ তল্লাশি করে একটি চাকু উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে থানায় একটি মামলা হয়েছে।