যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যশোরে আফজাল হত্যা মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : শনিবার, ৩ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:১২ পিএম
আপডেট : শনিবার, ৩ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
যশোরে আফজাল হত্যা মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

যশোর শহরের নাজির শংকরপুরের বহুল আলোচিত আফজাল হোসেন হত্যা মামলায় ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় এক কিশোরসহ তিনজনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে।

মামলার তদন্ত শেষে সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক সেলিম রেজা আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার চাঁদপাড়ার জিন্নাত আলীর ছেলে এবং ঝুমঝুমপুর বালিয়াডাঙ্গার ফরেস্ট অফিসার জসিম উদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া সুজন ওরফে টেরা সুজন, শহরের বকচর এলাকার মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে জাহিদ হাসান, হুশতলা কবরস্থান এলাকার আশরাফ আলী মিয়ার ছেলে সানোয়ার ইসলাম, নীলগঞ্জের আবুল কালামের ছেলে শুকুর, নীলগঞ্জ তাঁতিপাড়ার মোশারফ হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম, জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে পলাশ হোসেন, সেলিম হাওলাদারের ছেলে মিলন, নুরু মিয়ার ছেলে ছোট সাকিব, নাজির শংকরপুরের মজিদ গাজীর ছেলে বিপ্লব গাজী, নলডাঙ্গা রোড এলাকার সাজুর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন জিসান এবং বারান্দিপাড়া কাঁঠালতলা এলাকার মৃত নূর ইসলামের ছেলে জুম্মাতুল ইসলাম শুভ ওরফে ছোট শুভ।

মামলার এজাহার ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টেরা সুজন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি শংকরপুরের মাঠপাড়ায় মাদক বিক্রি করতেন। আফজাল হোসেন তাকে মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করলে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এর জেরে ২০২২ সালের ২৯ মে আফজাল হোসেন ও তার প্রতিবেশী সুমন শংকরপুরের জিরোপয়েন্ট থেকে দুধ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে সিটি মডেল স্কুলের সামনে পৌঁছালে টেরা সুজনের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা আফজালকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন।

গুরুতর আহত আফজালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা সলেমান শেখ টেরা সুজনসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

মামলাটির তদন্ত প্রথমে কোতোয়ালি থানা পুলিশ শুরু করে। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি।

তদন্তকালে আটক আসামিদের দেওয়া তথ্য এবং সাক্ষীদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় নীলগঞ্জ তাঁতিপাড়ার বিল্লাল হোসেন ওরফে ফয়সাল হোসেন অভি, শেখ আব্দুল আহাদ ও কিশোর আশিককে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে।

চার্জশিটে অভিযুক্ত ছোট সাকিব ও শুকুরকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)