স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের হওয়া দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন যশোর জেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সাবেক প্রচার সম্পাদক এস্কেন্দার আলী জনি। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি লাভ করেন।
এর আগে সোমবার (১ জুন) যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল যশোর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ ও সদস্য সচিব আনছারুল হক রানার বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভে এসে মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন ও কুৎসা রটানোর অভিযোগ ওঠে জনির বিরুদ্ধে। এতে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার দাবি করে গত ৬ এপ্রিল ভুক্তভোগী দুই নেতা বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এস্কেন্দার আলী জনি যশোর জেলা যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু মাদকাসক্তিসহ দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কারের পর থেকেই ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অনবরত ‘অপপ্রচার’ চালিয়ে আসছিলেন। একাধিকবার নিষেধ করার পরও তিনি তা আমলে নেননি।
মামলা দায়েরের পর গত ২৬ মে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ ঢাকা তেজগাঁও এলাকা থেকে এস্কেন্দার আলী জনিকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন ২৭ মে তাকে যশোর আদালতে সোপর্দ করে কারাগারে পাঠানো হয়।
অবশেষে সোমবার আদালতের বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার বিকেলে কারামুক্ত হন তিনি। এস্কেন্দার আলী জনি যশোর সদর উপজেলার বলিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম মানিকের ছেলে।