যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

লোহাগড়ায় জালিয়াত চক্রের খপ্পরে ২০ বাস্তুহারা পরিবার

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ মে,২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ২২ মে,২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
লোহাগড়ায় জালিয়াত চক্রের খপ্পরে ২০ বাস্তুহারা পরিবার

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার কচুবাড়ীয়া মহনপাড়ায় সরকারি জমিতে বসবাসকারী ২০টি বাস্তুহারা পরিবারের কাছ থেকে জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভূমি জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তরা হলেন, লক্ষ্মীপাশা গ্রামের মৃত আবু বক্কারের ছেলে কুটি মিয়া এবং রামপুর গ্রামের সারেজান ফকিরের ছেলে শরীফুল ফকির।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টো তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া ও উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নয় বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের পর থেকে কচুবাড়ীয়া মহনপাড়ায় সরকারি জমিতে ২০টি বাস্তুহারা ও দিনমজুর পরিবার ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। গত ৩-৪ মাস আগে অভিযুক্ত শরীফুল ফকির ও কুটি মিয়া পরস্পর যোগসাজশে ওই পরিবারগুলোকে সরকারি জমি স্থায়ীভাবে পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

এই কথা বলে ৯ জনের কাছ থেকে মোট ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন তারা। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগীরা জানান, গত ৩-৪ দিন আগে টাকা ফেরত চাইতে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাদের ওই স্থান থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেন। অভিযুক্তরা হুমকি দিয়ে বলেন, ওখানে তোরা বসত করতে পারবি না। আমাদের ক্ষমতা কতটুকু জানিস? কারো নিকট এ কথা জানালে রাতের আঁধারে ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়ে তাড়িয়ে দেবো।

অভিযোগকারীরা কুটি ও শরীফুলকে এলাকার 'ভূমিদস্যু' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তারা সরকারি জমির ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ফ্ল্যাট আকারে বিক্রি করছেন। সরেজমিনে তদন্ত করলে এই জালিয়াতির সত্যতা মিলবে বলেও দাবি করেন তারা।

ভুক্তভোগীরা তদন্তসাপেক্ষে তাদের টাকা ফেরত পাওয়া এবং বসবাসের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করেছেন, রহিমা বেগম, জোসনা বেগম, জেসমিন বেগম, আছমা বেগম, সিরাজ শেখ, ভুলু শেখ, জামিয়ন বেগম, তাছলিমা বেগম, রিনা বেগম, রফিকুল ইসলাম ও হান্নান মোল্যা।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শরীফুল ফকির ও কুটি মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাপ্ত অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জালিয়াতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)