অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূ ফাতেমা আক্তার বর্ণার (২৭) মরদেহ ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মশরহাটী গ্রামে ভৈরব সেতুসংলগ্ন একটি বালুবাহী ট্রলারের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফাতেমা আক্তার বর্ণা উপজেলার মশরহাটী গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে ও মানিকগঞ্জের রবিউল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের প্রধান শহিদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভৈরব নদে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। পরে শনিবার সকাল থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে রাত ৮টার দিকে ভৈরব সেতুসংলগ্ন একটি বালুবাহী ট্রলারের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মশরহাটী গ্রামে মালোপাড়া এলাকায় ভৈরব নদের মহিলা ঘাটে গোসল করতে নেমে ফাতেমা আক্তার বর্ণা নিখোঁজ হন।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নদীতে গোসল করতে নেমে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়েছিল। প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মরদেহ উদ্ধার করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে।’
বর্ণার স্বামী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমার স্ত্রী খুব ভালো মনের মানুষ ছিলো। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।’
নওয়াপাড়া নৌপুলিশের ইনচার্জ এসআই রনজিত কুমার সেন বলেন, ভৈরব নদে নিখোঁজ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম চলছে।