যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ইসরায়েলে ভোটযুদ্ধ, তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী থাকছেন নেতানিয়াহু

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর,২০২৬, ১০:৩১ এ এম
ইসরায়েলে ভোটযুদ্ধ, তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী থাকছেন নেতানিয়াহু

Subornovumi সংগৃহীত— ছবি:

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে দেশটিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে এক ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে নতুন জোট সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা আগামী বছর পুনরায় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুই দেশটির তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন।

রয়টার্সের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনের প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেশটির তিনটি প্রধান সম্প্রচারমাধ্যমের পূর্বাভাসে দেখা গেছে, ১২০ আসনের নেসেটে (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোট ৫৩টি আসন পেতে পারে।

অন্যদিকে, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ৪৮। এ ছাড়া আরব ইসরায়েলিদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো পেতে পারে রেকর্ড ১৯টি আসন।

ইসরায়েলি পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য ন্যূনতম ৬১টি আসনের ম্যাজিক ফিগার প্রয়োজন। বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী, আরব দলগুলোর ব্যাপক সমর্থন ছাড়া আইজেনকোটের পক্ষে সরকার গঠন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তবে অধিকাংশ ইহুদি রাজনৈতিক নেতা আরব দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোটে যেতে আগ্রহী না হওয়ায় বিরোধী জোটের সরকার গঠনের পথ বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তত্ত্ববধায়ক সরকারের কিছু আইনি সীমাবদ্ধতা থাকলেও তাদের হাতে নীতিনির্ধারণী যথেষ্ট ক্ষমতা থাকে। যার ফলে ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার মতো বড় সিদ্ধান্তগুলো নেতানিয়াহুর তত্ত্বাবধায়ক সরকারই নিতে পারবে।

এদিকে গত বুধবার ভোরে নিজের দল লিকুদের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে নেতানিয়াহু একটি শক্তিশালী ডানপন্থি জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুর এই নির্বাচনী ফলাফলের প্রশংসা করে দাবি করেছেন, তার প্রকাশ্য সমর্থনই নেতানিয়াহুর এই ভালো ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে।

তবে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোট সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, যেহেতু নির্বাচনে স্পষ্ট ম্যান্ডেট পাওয়া যায়নি, তাই নেতানিয়াহুর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পূর্ণ রাজনৈতিক বৈধতা নেই। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তাব্যবস্থাকে যেন কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করা হয়, সেজন্য তিনি দেশটির সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে নির্বাচনের এই ঝুলন্ত ফলাফলের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ইসরায়েলের আর্থিক বাজারেও। মার্কিন ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা শেকেলের মান প্রায় ১.৬ শতাংশ কমে ৩.১০ শেকেলে নেমে এসেছে। পাশাপাশি তেল আবিবের প্রধান শেয়ারবাজারের সূচকগুলোও ৩ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলে এটিই প্রথম সাধারণ নির্বাচন। গাজা ও লেবানন যুদ্ধ, ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক মহলে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে মোট ৭৭.৭ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ

 

 

 

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)