যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সিটি কলেজে আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : শনিবার, ৭ নভেম্বর,২০২৬, ০২:৪১ পিএম
আপডেট : শনিবার, ৭ নভেম্বর,২০২৬, ১০:২৯ পিএম
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সিটি কলেজে আলোচনা সভা

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকালে সরকারি সিটি কলেজের হল রুমে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আশাদুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল সালাম আজাদ।

বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছিলাম। এই রাষ্ট্র বিনির্মাণে একটি জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতেই আমরা এটি অর্জন করি। কিন্তু জাতির যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি তৎকালীন সরকারের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই ভূলুণ্ঠিত হয়। বিশেষ করে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথমেই জনগণের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়। মাত্র চারটি পত্রিকা বাদে সকল পত্রিকা ব্যান করে দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময় সামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে অসন্তোষ, বিশেষ করে সামরিক বাহিনীর মধ্যে পাল্টা ক্যু হতে থাকে।’

‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস, একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। যে কৃষি বিপ্লব বা সবুজ বিপ্লব বলে আমরা যেটি জানি- সেটিও কিন্তু জেনারেল জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছিল। বিপ্লব এবং সংহতির যে ক্ষুদ্র সংজ্ঞা, সেখান থেকে বুঝতে পারি যে তার মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা সুদূরপ্রসারী ফলাফল আমরা পেয়েছি। পরবর্তীতে আবার বাংলাদেশে স্বৈরাচারী শাসনের অবতারণা হয়। এবং এর প্রেক্ষিতে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ১৯৯০ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রে ফিরে যেতে সক্ষম হয়। ১৯৭৪ সালের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল, সেটি ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আবার পুনরুদ্ধার করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি সরকারের জনবান্ধব রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্যে একটি সুন্দর পদক্ষেপ এই বিএনপির হাত দিয়ে বারবার এসেছে। পরবর্তীতে আবার দেখেছি রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময় দেশের স্বৈরাচারের অভ্যুত্থান হয়েছে। সর্বশেষ জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং বর্তমান সরকার আমাদের যে ধরনের নির্দেশনা দিবে, আদেশ দিবে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে সেই নির্দেশনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’

‘আজকের এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার—আমরা ছাত্র, শিক্ষক এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী সকলেই মিলে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে, এই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত করবো- এটাই হোক সকলের অঙ্গীকার।’

অনুষ্ঠান আরো উপস্থিত ছিলেন, সরকারি সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোছা. রেহেনা পারভীন, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, কৃষিবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর আব্দুল হালিম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর অসীম কুমার দাস, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর লতিবা খাতুন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর দিলরুবা খানম, ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর মো. ইউনুস, ছাত্রদল সরকারি সিটি কলেজ শাখার সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানসহ কলেজের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)