যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বাগেরহাটে এক পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট,২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট,২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
বাগেরহাটে এক পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার

Subornovumi বাগেরহাটে কচুয়ার পশ্চিম চান্দেরখোলা গ্রামে এক পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ ও স্থানীয় জনতার ভিড় ছবি:

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একই পরিবারের তিন সদস্যের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের বাসার ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রাড়িপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম চান্দেরখোলা গ্রামে মর্মান্তিক এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

নিহতরা হলেন আহাত হাওলাদার (২২), তার মা মনিরা বেগম (৫৫) এবং নানি রাশিদা বেগম (৮৫)। আহাত স্থানীয় বাসিন্দা আব্দার হাওলাদারের ছেলে। মনিরা বেগম মৃত রশিদ শেখের মেয়ে এবং রাশিদা বেগম মৃত রশিদ শেখের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরে বাড়িটি অস্বাভাবিকভাবে নিস্তব্ধ ছিল। পরিবারের সদস্যদের কাউকে বাইরে দেখা যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তারা খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে তিনজনের গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

প্রতিবেশী বুলু বেগম বলেন, ‘বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। প্রথমে ভেবেছিলাম কোনো পশু মারা গেছে। পরে সন্দেহ হলে খোঁজ নিয়ে ঘরের ভেতরে মরদেহ দেখতে পাই। তখনই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।’

খবর পেয়ে কচুয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল ঘিরে প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করে তারা। এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।

পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নিহতদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহগুলো গলিত অবস্থায় থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি দুই থেকে তিন দিন আগে ঘটেছে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন আর রশিদ বলেন, ‘একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ ঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলোর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি দুই থেকে তিন দিন আগে ঘটে থাকতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে সম্ভাব্য সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

স্থানীয়দের মতে, একই পরিবারের তিন সদস্যের একসঙ্গে মৃত্যু স্বাভাবিক ঘটনা নয়। ফলে ঘটনার পেছনে কী কারণ রয়েছে, কারা জড়িত এবং কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে—তা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য অপরাধীদের শনাক্তে কাজ চলছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)