স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর শহরের পূর্ব বারান্দী ফুলতলা মাঠপাড়া এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী শরিফুল ইসলাম জিতু হত্যা মামলার আসামি সুমন রোববার ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল তার জবানবন্দী গ্রহণ করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানা পুলিশের এসআই দীনেশ ঘোষ বলেন, ‘মামলা দায়ের করার পর তিনি আটক আসামি সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিলেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তিনি তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাদ করলে জিতুকে হত্যার কথা স্বীকার করেন সুমন। তাকে ধারালো দা দিয়ে উপর্যুপরি কোপানো হয়েছিলো বলে স্বীকার করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘রোববার রিমান্ড শেষ হওয়ায় আসামি সুমনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ সময় সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।’
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আটক সুমন একজন পেশাদার চোর। সুমন পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন, তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় জোর করে টাকা নিতেন জিতু। পরবর্তীতে টাকা না দেওয়ায় তার ওপর ক্ষিপ্ত হন জিতু। ২২ জুলাই রাতে সুমনের ঘরে ঢুকে জিতু তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুখে আঘাত করেন। ওই সময় সুমনের মা ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন জিতু। মাকে মারধর করায় সুমন দা দিয়ে জিতুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। গুরুতর জখম জিতুকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান।
গত ২২ জুলাই রাতে সন্ত্রাসী জিতু খুন হন। তিনি পূর্ব বারান্দী মোল্লা পাড়ার সিরাজুল ইসলাম সিরার ছেলে। যশোর শহরের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।
জিতু খুনের ঘটনায় তার ভাই সাইফুল ইসলাম শক্তি চারজনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন।