সুবর্ণভূমি ডেস্ক
সরকারি পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানির জন্য সর্বনিম্ন দর প্রস্তাবকারী দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দরকষাকষির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরুর নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কাতার থেকে এক কার্গো এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সচিবালয়ে এ দুই কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরত অর্থমন্ত্রী অনলাইনে সভায় যুক্ত হন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুই সভায় সরকারি কেনাকাটার মোট সাতটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কাতার অ্যানার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘ মেয়াদী চুক্তির আওতায় ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যমান দরের বাইরে ভিন্ন মূল্যে অতিরিক্ত এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করে সরকরি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এ এলএনজি কিনবে।
এছাড়া কানাডা থেকে ৮০ হাজার টন ও রাশিয়া থেকে ৭০ হাজার টন এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
এর মধ্যে ১৮৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) এক লটে ৪০ হাজার টন এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) সার আনা হবে কানাডা থেকে। প্রতি টনের দর ধরা হয়েছে ৩৮২ দশমিক ৩৮ ডলার।
কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের মাধ্যমে চুক্তির আওতায় রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এ সার আমদানি করবে।
এ দরে একইভাবে পরবর্তী আরেক লটে আরও ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন হয়।
রাশিয়ার জেএসসি ফরেইন ইকোনোমিক করপোরেশন (প্রডিনটর্গ) এর সঙ্গে থাকা চুক্তির আওতায় দুই ধাপে ৩৫ হাজার টন করে এমওপি সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিটি।
প্রতি টন ৩৮২ দশমিক ৩৮ ডলারে কেনা এই সারও আমদানি করবে বিএডিসি।
এছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩০ কেজি ধারণ সক্ষমতার এক কোটি পাটের বস্তা ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০টি প্যাকেজে ই-জিপি পদ্ধতি পাটের বস্তা কিনতে মোট খরচ ধরা হয়েছে ৬৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
সূত্র: বিডিনিউজ