মেহেরপুর প্রতিনিধি
মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও সাংবাদিক আবু সাঈদ খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের কাছ থেকে ১৯৭১, মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রত্যাশিত। কিন্তু বাস্তবে তা প্রতিফলিত হচ্ছে না। মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সসহ সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে আবু সাঈদ খানের নেতৃত্বে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা শুক্রবার বিকেলে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এর আগে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে আনুষ্ঠানিকভাবে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি সংস্থা এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের সহসাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতনসহ আরও অনেকে।
পুষ্পমাল্য অর্পণের পর প্রতিনিধি দল ঘুরে দেখেন ঐতিহাসিক শপথস্থল, মুক্তিযুদ্ধের মানচিত্র, স্মৃতি জাদুঘর এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য। সম্প্রতি ভেঙে ফেলা ভাস্কর্যগুলো দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
ঐতিহাসিক এই দিবসে সরকারি কোনো কর্মসূচি না থাকলেও স্বাধীনতার সূতিকাগার মুজিবনগরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি দল।