যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বিশ্বকাপে রঙিন কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ি, গ্রাম

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জুয়েল

, ঝিনাইদহ

প্রকাশ : সোমবার, ২২ জুন,২০২৬, ১১:০০ এ এম
আপডেট : রবিবার, ২১ জুন,২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
বিশ্বকাপে রঙিন কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ি, গ্রাম

চার বছর অপেক্ষার পর আবারও শুরু হয়েছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ। বিশ্বের কোটি কোটি দর্শকের মতো বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও মেতেছেন উৎসবে। তবে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে গেলে মনে হবে, বিশ্বকাপ যেন শুধু টেলিভিশনের পর্দায় সীমাবদ্ধ নেই। নেমে এসেছে গ্রামের প্রতিটি ঘর, আঙিনা ও মানুষের হৃদয়ে।

কবি গোলাম মোস্তফার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রাম সেজেছে বিশ্বকাপের বর্ণিল সাজে। রাস্তার দুইপাশে উড়ছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দেশের পতাকা। নীল-সাদা, হলুদ-সবুজ আর নানা রঙের পতাকায় গ্রামজুড়ে তৈরি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

গ্রামে ঢুকতেই চোখে পড়ে ফুটবলপ্রেমের অনন্য এক চিত্র। কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ির মূল ফটক, আঙিনা, কাচারিঘর, বসতবাড়ি এমনকি গাছপালাও সাজানো হয়েছে বিশ্বকাপের নানা অনুষঙ্গে। দেয়ালজুড়ে আঁকা হয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফি, ফুটবলের প্রতীক এবং লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র, কিলিয়ান এমবাপ্পেসহ বিশ্ব ফুটবলের জনপ্রিয় তারকাদের প্রতিকৃতি।

বিশ্বকাপের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে আসছেন অনেকেই। কেউ পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ কিংবা ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দিচ্ছেন মনোহরপুরের ফুটবল উন্মাদনার গল্প।

সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে শিশু কিশোরদের মধ্যে। কারও গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি, কেউ আবার ব্রাজিলের পতাকা কাঁধে জড়িয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রিয় ফুটবল তারকাদের প্রতিকৃতির সামনে ছবি তুলে তারা আনন্দে মেতে উঠছে।

স্থানীয়দের মতে, এটি এখন আর শুধু একটি বাড়ির আয়োজন নয়, বরং পুরো গ্রামের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। দলভেদে সমর্থন থাকলেও সবাই একসঙ্গে ভাগাভাগি করছেন বিশ্বকাপের আনন্দ। সন্ধ্যা নামলেই চায়ের দোকান, বাড়ির উঠান কিংবা পাড়া মহল্লায় জমে উঠছে ফুটবল নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সিজার বলেন, ‘বিশ্বকাপ এলেই আমাদের গ্রামে আলাদা আনন্দ শুরু হয়। তবে এবার যে সাজসজ্জা করা হয়েছে, তা আগের সব আয়োজনকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষ আসছে, এতে গ্রামের পরিচিতিও বাড়ছে।’

দর্শনার্থী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘ফেসবুকে ছবি দেখে এখানে এসেছি। এসে মনে হচ্ছে কোনো আন্তর্জাতিক ফ্যান জোনে চলে এসেছি। গ্রামের মধ্যে এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।’

দর্শনার্থী শিহাব হোসেন বলেন, ‘ফুটবল আমাদের আবেগের জায়গা। এখানে এসে মনে হচ্ছে সবাই মিলে এক বিশাল উৎসবের অংশ হয়েছি।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)