যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় সামারি ট্রায়ালের নজির, দুসপ্তাহে সাজা ১২১ জনের

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশ : সোমবার, ২০ জুলাই,২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই,২০২৬, ১০:৪২ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় সামারি ট্রায়ালের নজির, দুসপ্তাহে সাজা ১২১ জনের

চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো ধারাবাহিকভাবে সামারি ট্রায়াল (সংক্ষিপ্ত বিচার) পরিচালনা করা হচ্ছে ।

গত দুই সপ্তাহে জেলার পাঁচটি থানায় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ১২১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দ্রুত বিচার ও তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকরের ফলে মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ভীতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে জেলা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের দ্রুত আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে । পরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সংক্ষিপ্ত বিচার শেষে দণ্ডাদেশ দেওয়া হচ্ছে ।

জেলা পুলিশের দাবি, চুয়াডাঙ্গার ইতিহাসে মাদক মামলায় এভাবে ধারাবাহিক সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে বিচার সম্পন্ন হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।

থানাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ৩৯ জন, আলমডাঙ্গা থানার ৩৮ জন, দর্শনা থানার ২৪ জন, জীবননগর থানার ১৬ জন এবং দামুড়হুদা মডেল থানার চারজন আসামিকে এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে অপরাধীদের মধ্যে আইনের প্রতি ভীতি সৃষ্টি হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গাকে মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। এজন্য সামারি ট্রায়ালের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণেরও সুযোগ দেওয়া হচ্ছে ।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, আগে অনেকেই সহজে জামিন পেয়ে যেত। এখন দ্রুত সাজা হওয়ায় মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণেও দেখা যাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সরোয়ার বাবু বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে সামারি ট্রায়াল কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দ্রুত বিচার ও শাস্তির ফলে অপরাধীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)