যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কালীগঞ্জের সাবেক মেয়র কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই,২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই,২০২৬, ১০:১৪ পিএম
কালীগঞ্জের সাবেক মেয়র কারাগারে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আত্মসমর্পণকারী ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এসএম নূরুল ইসলাম আসামির জামিন আবেদনের শুনানিশেষে এ আদেশ দেন।

মোস্তাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, মোস্তাফিজুর রহমান ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নিজ ও স্ত্রীর নামে এবং বিভিন্ন উৎসে অর্জিত সম্পদের হিসাব পর্যালোচনা করে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পায় দুদক। পরবর্তীতে দুদক স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ চেয়ে নোটিস দেয়। নোটিসের জবাবে মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ বিবরণীতে নিজের ও স্ত্রীর নামে মোট তিন কোটি ছয় লাখ সাত হাজার ৮৫১ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য জমা দেন।

অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, সম্পদ অর্জনের সময় তিনি ব্যাংক ঋণ হিসেবে ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ১৯১ টাকা গ্রহণ করেছিলেন। ঋণের অর্থ বাদ দিলে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই কোটি ৬৫ লাখ ৭১ হাজার ৬৮২ টাকা।

এছাড়া, তিনি ও তার স্ত্রীর নামে মোট এক কোটি ২১ লাখ ৮৬ হাজার ২৫৬ টাকা বৈধ আয়ের তথ্য উপস্থাপন করেন। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩৭ লাখ ৯৯ হাজার ৮২৯ টাকা। ফলে, বৈধ আয় দাঁড়ায় ৮৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪২৭ টাকা। বৈধ আয়ের তুলনায় এক কোটি ৮১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৮৪ টাকা মূল্যের সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে কালীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তে মোস্তাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী শাহিনুর বেগমের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের একটি বড় অংশ বৈধ আয়ের চেয়ে এক কোটি ৮৩ লাখ ৫২ হাজার ৮২ টাকা সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়াও তথ্য বিবরণীতে তিনি ১৭ লাখ ৫৪০ টাকার তথ্য গোপন করেছেন।

এ মামলা দীর্ঘ তদন্ত শেষে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়ায় মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক বজলুর রহমান ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর মোস্তাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চার্জশিট জমা দেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য যশোরের বিশেষ দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়। আসামি মোস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন পলাতক থেকে পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। জামিন আবেদনের শুনানি শেষে জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)