স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোরের কেশবপুরে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের ১৫ দিন পার হলেও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জিএম গোলাম হুসাইনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে।
অভিযুক্ত শিক্ষক জিএম গোলাম হুসাইন (৫০) উপজেলার বরণডালী গ্রামের শেখ আনসার আলীর ছেলে এবং সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বর্তমানে সাতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। শিশুটি যখন সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তো, তখন থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও যৌন হয়রানি করে আসছিলেন অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষক।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার 'সাজেশন' দেওয়ার কথা বলে ছুটির দিন সকালে স্কুলে ডেকে নিয়ে নিজ অফিসকক্ষে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় শিশুটিকে। পরবর্তীতে শিশুটি অসুস্থ ও আতঙ্কিত হয়ে পরিবারকে বিষয়টি জানালে ভুক্তভোগীর বাবা মো. হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। তবে মামলা দায়েরের অর্ধমাস গড়ালেও পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বিচার পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছি।’