স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোরে ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে (৩০) নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের জামাল মোল্লার বাড়িতে।
এই দম্পতি জামাল মোল্লার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। আহত ফাতেমা হচ্ছেন মনিরুলের তৃতীয় স্ত্রী।
ওই বাড়ির অপর ভাড়াটিয়া লাবনী আক্তার জানিয়েছেন, ফাতেমা ও মনিরুল বালিয়াডাঙ্গা এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তাদের তিনটি সন্তান আছে। সপ্তাহখানেক হলো ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের এই বাড়িতে এসেছেন। ফাতেমা ওই এলাকার একটি হোটেলের শ্রমিক। আর মনিরুল রিকশাচালক।
তিনি জানান, মনিরুল মাদকসেবী। ফাতেমা প্রতিদিন যে টাকা রোজগার করেন তার সবটুকুই মনিরুল জোর করে নিয়ে নেন। এই নিয়ে তাদের ঝগড়া লেগেই থাকে।
শনিবার সন্ধ্যার দিকে কাজশেষে ফাতেমা বাড়িতে যান। তখন মনিরুল বাড়িতে ছিলেন। সাংসারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়। একপর্যায়ে দরজা বন্ধ করে ফাতেমাকে মারপিট করা হয়। কিছু সময় পর তিনি ফাতেমার চিৎকার শুনতে পান। সেখানে গিয়ে দেখেন, দরজা বন্ধ। দরজা খুললে দেখেন, ফাতেমা মেঝেতে পড়ে আছে এবং তার গলা দিয়ে রক্ত ঝরছে। পরে আশেপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এরই ফাঁকে মনিরুল পালিয়ে যান।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরির বিভাগের চিকিৎসক রাজিব রায় জানিয়েছেন, ওই নারীর গলায় ধারালো কিছুর আঘাতের ফলে রক্ত ঝরেছে। তাকে অপারেশনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, 'বিষয়টি জানা নেই। এখনই খোঁজ নিচ্ছি।'