মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী ও নেতাকর্মীরা।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে পারনান্দুয়ালী ব্যাপারিপাড়া জামে মসজিদ চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
কর্মসূচিতে এলাকাবাসীর পাশাপাশি জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন। সমাবেশে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন ও আমিনুর রহমান খান পিকুল, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন, জেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াশিকুর রহমান কল্লোল, সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ, সদস্যসচিব আব্দুর রহিম এবং জেলা ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডের ৭২ ঘণ্টা পার হলেও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সমাবেশ শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা মাগুরা-ঢাকা মহাসড়কের পারনান্দুয়ালী এলাকায় আগুন জ্বালিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করেন। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
গত বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা বাসটার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে সাকের হোসেনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন রাতে নিহতের স্ত্রী শারমিন নাহার বাদী হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ শামীমা তাবাসসুম লুবনা এবং ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবদলের সদস্য রনি শিকদার নামে দুইজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে। তবে ঘটনার তিন দিন পরও হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা মূল অপরাধীকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।