স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
আগামী ৩১ অক্টোবর ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-কুষ্টিয়া লংমার্চে যশোর অংশের কর্মসূচিতে বড়সড় শো-ডাউন করতে চায় জামায়াত। ওই দিন বিকেলে যশোর শহরের মুড়লিতে অনুষ্ঠেয় জনসভায় দেড় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা দলটির নেতাদের।
লংমার্চ সফলে মিডিয়া কর্মীদের সহায়তা চেয়ে যশোর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রছুল বলেন, দলটি এখন প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। প্রতিটি জনপদে মিছিল-সমাবেশ হচ্ছে। পাঁচ লাখ লিফলেট ও এক লাখ পোস্টার তৈরি করা হয়েছে; যা ইতিমধ্যে বিতরণ ও সাঁটানোর কাজ চলছে। পাশাপাশি চলছে সাংগঠনিকভাবে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে লংমার্চ কর্মসূচিতে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া।
শনিবার দুপুরে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে যশোর জেলা জামায়াত স্থানীয় গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ গেটকিপার ও সাংবাদিকনেতাদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় দলটির পক্ষ থেকে এসব কথা জানানো হয়।
সভায় জেলা জামায়াত আমির অধ্যাপক গোলাম রছুল বলেন, ১১-দলীয় ঐক্য জনগণের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের জন্য লংমার্চ করছে। লংমার্চে নাগরিকরা যাতে দুর্ভোগে না পড়ে সেই কারণে শহরের কেন্দ্রস্থলে জনসভা না করে পূর্বপ্রান্তে মুড়লির মোড়ে জনসভা করা হচ্ছে। এই স্থানে জনসভা করার সুবিধা হলো, দূরপাল্লার যানবাহন বাইপাস হয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে জনসভা শুরুর আগে-পরে কিছু সময় শহর থেকে মুড়লি হয়ে বাইরে যাওয়া বা একই পথ ধরে শহরে ঢোকা বন্ধ থাকবে। ওই সময় বাইপাস ধরে মানুষ যাতে চলাচল করতে পারে, তার জন্য পুলিশের পাশাপাশি দলের পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে বলে তিনি জানান।
লংমার্চের প্রস্তুতি ও সার্বিক বিষয় তুলে ধরে অধ্যাপক গোলাম রছুল বলেন, ঢাকা থেকে রওনা দেওয়ার পর শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা, ফুলতলা, নওয়াপাড়া, যশোরসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও জনসভা হবে। পরে কুষ্টিয়ায় গিয়ে জনসভার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হবে। কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশগ্রহণে এই লংমার্চকে স্বাগত জানিয়ে মহাসড়কের দুই পাশে জামায়াত নেতাকর্মী ছাড়াও হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অপেক্ষা করবে বলে তার আশা।
বিশাল এই কর্মসূচিতে তিনি গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে জেলা আমির জানান, আগামী ২৮ অক্টোবর একই বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। সেখানে ১১-দলীয় ঐক্যের শরিক দলগুলোর নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
মতবিনিময় সভায় জামায়াতের জেলা সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুসও বক্তব্য দেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, সহকারী সেক্রেটারি বেলাল হুসাইন, রেজাউল করীম ও মনিরুল ইসলাম, প্রচার সেক্রেটারি অধ্যাপক শাহাবুদ্দীন বিশ্বাস, শহর শাখার ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।