যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : শনিবার, ১৬ মে,২০২৬, ১২:০১ এ এম
আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ফারাক্কা ব্যারাজ অভিমুখে লংমার্চ করে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাড়া ফেলে দেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে এমন সোচ্চার জনমত ফারাক্কা লংমার্চের আগেও দেখা যায়নি, পরেও নয়। ৯৫ বছরের শারীরিক অসুস্থতা বা রাজনৈতিক চাপ, দমাতে পারেনি লংমার্চের প্রধান নেতা ও সংগঠক মওলানা ভাসানীকে।

গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হয় পাকিস্তান আমলে ১৯৫২ সালে। তখন থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেয়নি, ফলে ভারত তার মতো কাজ করে গেছে। কিন্তু ভাসানীর লংমার্চের পর তারা বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে নিতে বাধ্য হয়।

ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর ভারত ১৯৭৫ সালে অল্প কদিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধনের কথা বলেছিল। কিন্তু সেই যে চালু হলো, বাঁধ আজও সক্রিয়। বাংলাদেশ এখনও তার ন্যায্য হিস্যা পায় না।

পরে অবশ্য ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়। যদিও ভারত এই চুক্তি মেনে চলে, তার কোনো নজির নেই।
ফারাক্কা ব্যারাজের মাধ্যমে নদীর পানি সরানোয় শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদসহ আরও উজানে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে আকস্মিক বন্যা, নদী ভাঙনে প্রতিবছর ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে বহু মানুষ।

পানিবঞ্চিত বাংলাদেশ বহু বছর পর এবার বিকল্প উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের মেগা প্রজেক্ট হাতে নিয়ে ফারাক্কার ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে উগ্যোগী হয়েছে বাংলাদেশ।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)