যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

নতুন বলে পুরনো টিভি বিক্রি!

র‌্যাংগস শোরুম ইনচার্জের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : বুধবার, ১০ জুন,২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
আপডেট : বুধবার, ১০ জুন,২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
নতুন বলে পুরনো টিভি বিক্রি!

ব্র্যান্ড নিউ টেলিভিশনের নামে পুরনো এবং ত্রুটিযুক্ত পণ্য বিক্রির অভিযোগে যশোরে র‌্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের এক শো-রুম ইনচার্জের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে বুধবার (১০ জুন) মামলাটি করেন যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী ফরিদুল ইসলাম।

মামলায় যশোর শহরের রেল রোড এলাকার র‌্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের শোরুম ইনচার্জ রবিউল ইসলামকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত তার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেবাশীষ দাস।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ৫ নভেম্বর কাজী ফরিদুল ইসলাম র‌্যাংগসের যশোর শোরুম থেকে এক লাখ চার হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে ৬৫ ইঞ্চি সনি ব্রাভিয়া টেলিভিশন কেনেন। শোরুম কর্তৃপক্ষ সেটিকে সম্পূর্ণ নতুন প্রোডাক্ট হিসেবে উপস্থাপন করে এবং পরে তাদের কর্মীরা বাদীর বাসায় গিয়ে টেলিভিশনটি স্থাপন করে দেন।

কিন্তু ব্যবহার শুরু করার পরই টেলিভিশনটিতে একের পর এক ত্রুটি ধরা পড়ে। বাদীর অভিযোগ, টিভির বর্ডারে ধুলাবালি জমে থাকা, ছবি ও শব্দে অস্বাভাবিক সমস্যা এবং চ্যানেল পরিবর্তনের পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষাসহ বিভিন্ন লক্ষণ দেখে তার সন্দেহ হয়- এটি নতুন নয়; বরং পূর্বে ব্যবহৃত একটি ত্রুটিযুক্ত টেলিভিশন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, টিভিটি পরিবর্তন কিংবা মেরামতের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ওয়ারেন্টি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও শোরুম কর্তৃপক্ষ বারবার বিষয়টি এড়িয়ে যায় এবং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

গত ৩১ মার্চ শোরুমের পক্ষ থেকে একজন কর্মচারী বাদীর বাসায় গিয়ে টেলিভিশনের ত্রুটিগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। তবে, সমস্যা স্বীকার করেও টিভিটি ফেরত নেওয়া বা পরিবর্তনের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

পরবর্তীতে প্রতিকার না পেয়ে গত ২৬ এপ্রিল শোরুম ইনচার্জের কাছে আইনি নোটিস পাঠান কাজী ফরিদুল ইসলাম। ওই নোটিসেরও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ চলতি মাসের ৬ জুন টেলিভিশনটি পরিবর্তন করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।

দীর্ঘ সাত মাস ধরে ভোগান্তির পর প্রতিকার না পেয়ে প্রতারণা ও আর্থিক ক্ষতির বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন এই আইনজীবী।

আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)