সুবর্ণভূমি ডেস্ক
নন্দিত না নিন্দিত—যুক্তরাষ্ট্রের দর্শক কীভাবে মূল্যায়ন করছেন ফ্লোরিয়ান বালোগানকে?
২৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বৃহস্পতিবার গোল করেছেন, লাল কার্ডও দেখেছেন। একটিতে হয়ে উঠেছেন উৎসবের মধ্যমণি, অন্যটিতে দলকে ফেলেছেন বিপদে।
তবে দিন শেষে অবশ্য খুশিই থাকার কথা বালোগানের। দশজনের দল নিয়েও ২–০ গোলে বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দলটি খেলবে বেলজিয়ামের বিপক্ষে।
সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। সেই আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন বালোগান। লাল কার্ড দেখার আগপর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৫টি শট নেয়, যার ৪টিই ছিল তার। প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সে সবচেয়ে বেশি ৭ বার বল স্পর্শও করেন এই ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সেই আধিপত্যেরই পুরস্কার পায় যুক্তরাষ্ট্র। ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের গায়ে লেগে বলের দিক বদলে যায়। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বাঁ পায়ের শটে গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক গলে বল জালে পাঠান বালোগান।
এবারের বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোল। এর আগে ২ গোল করেন প্যারাগুয়ের বিপক্ষে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘোরানোর সুযোগ পায় বসনিয়া। ৬১ মিনিটে মুহারেমোভিচের পায়ে কড়া ট্যাকল করেন বালোগান। প্রথমে হলুদ কার্ড দেখালেও ভিএআরে ঘটনাটি দেখে সিদ্ধান্ত বদলান রেফারি। সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন যুক্তরাষ্ট্রের এই স্ট্রাইকার।
শেষ প্রায় আধঘণ্টা ১০ জন নিয়ে খেললেও যুক্তরাষ্ট্রকে তেমন চাপে ফেলতে পারেনি বসনিয়া; বরং ৮২ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মালিক টিলম্যান। সেই গোলেই জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।
এই জয়ে ২০০২ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচ জিতল যুক্তরাষ্ট্র।