যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ইট, এখনও শুরু হয়নি কাজ

আনোয়ার হোসেন

, মণিরামপুর (যশোর)

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১২:০০ পিএম
রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ইট, এখনও শুরু হয়নি কাজ

সংস্কারের কথা বলে রাস্তার পুরনো ইট তুলে নিয়েছেন যশোরের মণিরামপুর উপজেলা সদরের একজন ইউপি চেয়ারম্যান। ওই ঘটনার তিন-চার মাস পার হলেও রাস্তায় নতুনভাবে কাজ শুরু হয়নি। এখন ইট তুলে নেওয়া অংশে কাদাপানি জমে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাকোশপোল গ্রামের বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, নতুন করে রাস্তায় কাজ হবে- এমন কথা বলে ঈদুল আজহার আগে চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক পুরনো ইট তুলে নেন। পরে আর কাজ শুরু হয়নি। এখন শোনা যাচ্ছে, স্থানীয় নির্বাচনের পরে ছাড়া রাস্তা হবে না।

সরেজমিন দেখা গেছে, বাকোশপোল গ্রামের সিদ্দিক মোড়ের অদূরে গয়েশপুর নিমতলা মোড় অভিমুখি ইটের সলিংয়ের রাস্তার আব্দুল কাদের চৌকিদারের বাড়ির সামনে হতে গোবিন্দ মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ ফুট ইটের সলিং তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি জমে কাদা হয়ে আছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের এক কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার ৫১০ টাকা চুক্তিমূল্যে মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড়, হেলাঞ্চি ও বাকোশপোল গ্রামে এক দশমিক ৯৮০ কিলোমিটার রাস্তা হেরিং বন বন্ড (এইচবিবি) সলিংয়ের কাজের দায়িত্ব পান জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার মেসার্স তন্নি ইন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী আবু হুরায়রা। ৩১ মার্চ শুরু করে ১০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঠিকাদার হেলাঞ্চি ও শ্যামকুড় অঞ্চলের কাজ শেষ করলেও বাকোশপোল গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়ি হতে আব্দুল গফুরের বাড়ি পর্যন্ত ৬৫০ মিটার রাস্তার কাজ এখনো শুরু করেননি।

পিআইও দপ্তরের সঠিক তদারকির অভাব আর ঠিকাদারের অবহেলায় নির্ধারিত সময়ে বাকোশপোল এলাকার কাজটি সম্পন্ন হয়নি।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক বলেন, ‘এইচবিবি সলিংয়ের জন্য বাকোশপোলের রাস্তাটির টেন্ডার হওয়ার পর ওই রাস্তার ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট পুরনো ইটের সলিং, যা আমাদের পরিষদের সলিং ছিল, সেটা আমরা তুলে নিয়েছি। কিছু ইট কাজে লাগানো হয়েছে। কিছু পরিষদে স্তূপ করে রাখা আছে।’

‘ইট তুলে নেওয়ার পর বৃষ্টির কারণে ঠিকাদার কাজ করতে পারেননি। বহুবার ঠিকাদার আর পিআইও দপ্তরে কথা বলে কাজ সম্পন্নের তাগিদ দিয়েছি। ঠিকাদার শুরু করবে বলে এখনো কাজ করেনি। বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেও বিপদে আছি,’ বলেন চেয়ারম্যান।

ঠিকাদার আবু হুরায়রা বলেন, মণিরামপুরে তিনটি রাস্তার মধ্যে দুটির কাজ শেষ হয়েছে। বৃষ্টির কারণে একটির কাজ করা সম্ভব হয়নি। অতি দ্রুত সেখানকার কাজ শুরু করা হবে।

মণিরামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সেলিম খান বলেন, ‘ঠিকাদারকে জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি আর সময় বাড়ানোর আবেদন করেননি। আমরা ঠিকাদারকে কাজ শেষ করতে তাগিদ দিচ্ছি। কাজ না করলে বিল দেওয়া হবে না।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)