রায়হান সিদ্দিক
, যশোর
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে একসময় ছিল সোনালি ফসল। সেখানে এখন বছরজুড়ে পানি থইথই করে; জন্মেছে বুনো ফুল আর ঘাস। অথচ দুই/তিন ফসলি এই জমিই ছিল প্রায় ৩০ হাজার কৃষকের একমাত্র সম্বল। পরম মমতায় এই জমিতে সোনা ফলাতেন কৃষক। সেই ফসলই ছিল তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উপায়। তবে বর্তমান চিত্রটি একেবারেই ভিন্ন। মাত্র কয়েক ব্যক্তির হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক।
তাদেরই একজন আনসার আলী গাজী। তিন পুরুষ ধরে তারা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামের কোচবিলের কৃষিজমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। এই বিলেই তার আছে তিন বিঘা জমি। বছর দশেক আগেও এই জমিতে সোনা ফলাতেন তিনি। তবে সেই জমি এখন রূপ নিয়েছে জলাভূমিতে।
আনসার আলী গাজীর দাবি, তার কৃষিজমির পাশেই গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি মাছের ঘের। অনুমোদনহীন এসব ঘেরের কারণেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে জমিতে।
তিনি বলেন, একসময় এই জমিতে তিন ফসল ফলতো। ঘের হওয়ার পর আস্তে আস্তে জলাবদ্ধতা শুরু হয়। এখন আশেপাশের কোথাও ধান লাগানো যাচ্ছে না।
৭০ বছর বয়সী এই কৃষক অভিযোগ করে বলেন, প্রভাবশালী ঘের ব্যবসায়ীদের কিছু বলতে গেলে তারা বলে, ‘মণিরামপুরের সব অফিসার আমাদের পকেটে’। আক্ষেপ করে এই কৃষক বলেন, ‘আমাগের পকেটে তো কেউ নেই। আমরা তো কৃষক। তালি (তাহলে) আমাদের বাঁচার উপায়ডা কী!’
মণিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ-পূর্বে শান্ত এক গ্রাম জয়পুর। এটি ছাড়াও আশেপাশের আরও ছয়টি গ্রামের মাঝখানে ‘কোচবিলের’ অবস্থান। ভৌগোলিক দিক থেকে এই বিলটি ‘যশোরের দুঃখ’ ভবদহের অংশ। বিশাল এই ভূমির চারপাশ ঘিরে রয়েছে গ্রামীণ জনবসতি, যার ঠিক মাঝখানটা বেশ নিচু। একসময় এটি উর্বর ফসলি মাঠ থাকলেও বর্তমানে শ্রী ও হরিহর নদীর নাব্য সংকট এবং অপরিকল্পিত মাছের ঘেরের বাঁধের কারণে তৈরি হয়েছে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা। নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় কোচবিলের বুক থেকে এখন আর পানি সরে না; ফলে তিন-ফসলি সেই সোনার মাঠ আজ রূপ নিয়েছে এক স্থায়ী বিষাদময় জলাভূমিতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় এক হাজার হেক্টর উর্বর কৃষিজমির বুক চিরে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে অন্তত ১৫টি বিশাল মাছের ঘের। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ঘের স্থাপনে শতভাগ জমিমালিকের সম্মতি এবং পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও প্রভাবশালী ঘের ব্যবসায়ীরা তার কিছুই মানেননি। যার সত্যতা উঠে এসেছে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর একাধিক তদন্ত প্রতিবেদনে।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যা নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর এবং কৃষি অধিদপ্তরসহ একাধিক জায়গায় অভিযোগ করেও কোনো সমাধান মেলেনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা তদন্ত করে কৃষকদের পক্ষে রায় দিলেও সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং সময়ের সাথে সাথে ঘেরের সংখ্যা বেড়েছে। আর অনুমোদনহীন ঘের নির্মাণের প্রতিবাদ করলে নানা হুমকির শিকার হতে হয় কৃষকদের।
ভুক্তভোগী কৃষক সাইফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই ঘেরগুলোর পেছনে এলাকার কিছু লোক তো আছেই, সাথে যুক্ত হয়েছে বহিরাগত প্রভাবশালীরা। তারা এসে ঘের তৈরি করে আমাদের ফসলের বারোটা বাজাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এক-দেড় বছর আগে তৎকালীন ইউএনও স্যার একটি স্পষ্ট রায় দিয়েছিলেন। সেখানে শর্ত ছিল, মাটির তল থেকে (ভূগর্ভস্থ) পানি তুলে ঘেরে মাছ চাষ করা যাবে না এবং নতুন কোনো ঘের করা যাবে না। কিন্তু তারা (ঘের মালিকরা) এই শর্ত মানেনি।’
একই সুর শোনা গেল কৃষক নজরুল সর্দারের কণ্ঠেও। এই ঘেরের আগ্রাসনকে তিনি দেখছেন জীবন-মরণ সমস্যা হিসেবে।
নজরুল সর্দার বলেন, ‘কোচবিলের আশেপাশে প্রায় ৩০ হাজার কৃষক আছে। এই ঘেরের কারণে পানি আটকে আমাদের ফসল নষ্ট হচ্ছে, ঘরে ধান উঠছে না। মাঠের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। মানুষ তো দূরের কথা, ঘরে যে গরু-বাছুর রয়েছে, তাদের পর্যন্ত খাবার দিতে পারছি না।’
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই কৃষক বলেন, ‘আমরা বারবার প্রশাসনের কাছে যাচ্ছি, কিন্তু তারা কোনো গুরুত্বই দিচ্ছে না। ইউএনও, এসিল্যান্ড, ওসি- প্রত্যেকেই মুখে বা কাগজে রায় দিচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে প্রভাবশালীরা জোর করে ঘের চালিয়েই যাচ্ছে। এখন আমাদের শেষ ভরসা প্রধানমন্ত্রী। আমরা তার কাছেই আবেদন জানাচ্ছি, তিনি যেন পানি নিষ্কাশন ও ঘের উচ্ছেদের ব্যবস্থা করেন।’
কোচবিল এলাকার কৃষক আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির বলেন, সরকারি হিসেবেই এই এক হাজার হেক্টর তিন-ফসলি জমিতে ৩০ হাজার পরিবার নির্ভরশীল। ঘেরের কারণে সবাই আজ সর্বস্বান্ত।
প্রশাসনের রহস্যজনক আচরণের অভিযোগ এনে মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করে দেখে গেছে যে, এখানে একটি ঘেরও অনুমোদিত নয়। এরপর গত মাসের ২৯ তারিখে প্রশাসন থেকে নির্দেশ দেওয়া হলো, ক্যানেল (পানি নিষ্কাশনের খাল) সংস্কার করতে হবে। কিন্তু প্রভাবশালীরা শুধু নিজেদের ঘেরের ভেড়ি সংস্কার করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।’
নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে মনির বলেন, ‘‘গত ৩০ তারিখে আমি উপজেলা প্রশাসনের কাছে গিয়েছিলাম। এসিল্যান্ড সাহেব আমাকে দেখেই প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি কেন আসছেন? আপনার কি এই মাঠে জমি আছে? পরচা আছে?’ আমি বললাম, আমি এই মাঠের একজন বর্গাচাষি। আমার নিজের জমি বা পরচা না থাকতে পারে, কিন্তু আমি তো কৃষক! আমার কি কথা বলার অধিকার প্রশাসন দেবে না? এরপর ইউএনও’র কাছে গেলাম, তিনিও একই অজুহাত দেখিয়ে একই প্রশ্ন করলেন। আমার প্রশ্ন, প্রশাসন কি আমাদের নিয়ে খেলা করছে?”
মনিরুজ্জামানের অভিযোগ, এই অন্যায়ের পেছনে কাজ করছে দুটি শক্তি- রাজনৈতিক প্রভাব এবং আর্থিক লেনদেন। যার বিরুদ্ধে কথা বলায় এই কৃষকনেতা মারধরের শিকার হয়েছেন।
মনির বলেন, ‘এই আন্দোলনের কারণে গত ঈদের ঠিক আগের রাতে একদল সন্ত্রাসী আমার ওপর হামলা করে। মারাত্মক আহত হয়ে টানা ১৫ দিন আমাকে হাসপাতালে কাটাতে হয়েছে। অথচ প্রশাসন নীরব।’
কৃষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার আগে এই বিলের এক হাজার হেক্টর জমি থেকে তিন ফসল মিলে বছরে মোট ধান উৎপাদিত হতো প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। কিন্তু বর্তমানে স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে উৎপাদন গড়ে ৭৫ শতাংশ কমে এখন মাত্র তিন হাজার ৩৭৫ টনে এসে ঠেকেছে। হিসেব অনুযায়ী, প্রতি বছর এখানে ধান উৎপাদন কমেছে দশ হাজার ১২৫ মেট্রিক টন। এই বিপুল পরিমাণ ধান দিয়ে অঞ্চলটির হাজার হাজার মানুষের সারা বছরের ভাতের চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল।
উৎপাদন বিপর্যয়ের কারণে খাদ্য সংকটের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ ধানের গড় মূল্য এক হাজার ২০০ টাকা ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, আগে যেখানে এই বিলে উৎপাদিত ফসলের বার্ষিক মূল্য ছিল প্রায় ৪৪ কোটি দশ লাখ টাকা, তা এখন কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, কৃত্রিমভাবে তৈরি এই জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছর এই এলাকার প্রায় ৩০ হাজার কৃষক এবং চূড়ান্তভাবে রাষ্ট্র প্রায় ৩৩ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রত্যক্ষ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। মুষ্টিমেয় ঘের ব্যবসায়ীর মাছ বিক্রির টাকা বা রপ্তানি আয় কোনোভাবেই ৩০ হাজার পরিবারের এই বিশাল আর্থিক ও খাদ্য ঘাটতির ক্ষতিপূরণ হতে পারে না বলে দাবি করছেন স্থানীয় কৃষকরা।
এদিকে, কোচবিলে এক হাজার হেক্টর তিন-ফসলি জমি ধ্বংস করে গড়ে ওঠা ১৫টি অবৈধ ঘেরের বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি আইনি সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘এই ঘেরের বিষয়টি ঠিক আমার জানা নেই। তবে যারা অনুমোদনহীন ঘের করে, তারা মূলত স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে এগুলো করে। এগুলোর সাথে মৎস্য দপ্তরের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
অনুমোদনহীন ঘেরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আইন ও নীতিমালায় বড় ধরনের জটিলতা ও ফাঁকফোকর রয়েছে বলে স্বীকার করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুল মামুন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ভবদহ নীতিমালায় শুধু বলা আছে কোন কোন ক্রাইটেরিয়া থাকলে ঘের অনুমোদন দেওয়া যাবে। কিন্তু অননুমোদিতভাবে কেউ যদি জোর করে ঘের তৈরি করে, তবে তা উচ্ছেদ করার স্পষ্ট আইনি ক্ষমতা আমাদের নেই। এই ধরনের ব্যবস্থা নিতে হলে আইনে অধিকতর সংশোধন প্রয়োজন।’
কৃষিজমির শ্রেণি পরিবর্তন না করার স্পষ্ট আইন দেশে রয়েছে। এই বিষয়টি তুলে ধরলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘যখন কৃষিজমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছে, তখন তো কৃষি দপ্তরের সেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ঘের তো তখনই আসে যখন কৃষিজমিটি খনন করা হয়। যখনই খনন করা হচ্ছে, তখনই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শ্রেণি পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার পর আমাকে এসে বললে তো হবে না। বাধাটা একদম শুরুতেই দেওয়া উচিত।’
অবৈধ ঘের উচ্ছেদে দৃশ্যমান পদক্ষেপ কেন নেওয়া হয়নি জানতে চাইলে মণিরামপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন বলেন, মাঠের কৃষকদের মধ্যেই দুই ধরনের মত রয়েছে। এক শ্রেণির কৃষক যেমন ঘেরের বিরোধিতা করছেন, তেমনি ঘেরপন্থিও বেশ কিছু কৃষক সেখানে আছেন। কারণ, তারা ঘের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত বড় অঙ্কের হারি (জমি ইজারার টাকা) পান। ফলে কৃষকরা যে পুরোপুরি ঐকমত্যে পৌঁছেছেন, বিষয়টি আসলে তেমন নয়।
ভবদহ অঞ্চলের বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মণিরামপুর, কেশবপুর এবং অভয়নগর অঞ্চলে মাছের ঘের এখন বাস্তব সত্য। এই ঘেরগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ মাছ উৎপাদিত হচ্ছে, যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। তাই প্রশাসনকে দুটি বিষয়ই একসাথে দেখতে হচ্ছে। মৎস্যজীবী এবং কৃষিজীবী- উভয়েই আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সব স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বসে খুব শিগগির একটি যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাতে পারবো বলে আশা করছি।’
এক হাজার হেক্টর কৃষিজমির বিপরীতে মাত্র ১০ থেকে ১৫ জন ঘের ব্যবসায়ীর কারণে ৩০ হাজার কৃষক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঘেরের চেয়ে কৃষির গুরুত্ব বেশি বলে স্বীকার করেন এই কর্মকর্তা।
‘তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, নতুন করে যাতে কোনো কৃষিজমি ঘেরে রূপান্তরিত না হতে পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর। যখনই আমরা নতুন কোনো ঘের তৈরির খবর পাই, তাৎক্ষণিক সেখানে গিয়ে জমির শ্রেণি পরিবর্তনে বাধা দিই। একই সাথে সরকারি রেকর্ডভুক্ত রাস্তা বা বাঁধের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করা হয়,’ বলেন এসিল্যান্ড।
কৃষকদের পক্ষ থেকে ঘের ব্যবসার পেছনে বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনের ওপর চাপের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সে বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। কারণ ব্যক্তিগতভাবে আমি এখন পর্যন্ত এই কোচবিল ইস্যুতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রেশার বা চাপ ফেস করিনি।’
অন্যদিকে যশোরের অভয়নগর, মণিরামপুর ও কেশবপুরে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে ঘের নির্মাণের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।
তিনি বলেন, ভবদহ অঞ্চলে মাছের ঘের তৈরির একটি নীতিমালা রয়েছে। এই নীতিমালাটি ২০১৯ সালে করা হয়। কিন্তু ঘেরগুলো নীতিমালা তৈরির অনেক আগে থেকে চলে আসছে। তবে নীতিমালা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসকল ঘের মালিক সরকারি নীতিমালা মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।