যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘দুই কবির সাহিত্য থাকবে অবিচল’

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : সোমবার, ১৫ জুন,২০২৬, ১০:২১ পিএম
‘দুই কবির সাহিত্য থাকবে অবিচল’

যশোরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

সভায় বলা হয়, বাংলা ভাষা যত দিন আছে, ততদিন দুই কবির সাহিত্য থাকবে অবিচল।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও শিল্পকলা একাডেমির সার্বিক সহযোগিতায় সোমবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুন্সি আবু সাইদ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে দুই মহান কবির অসামান্য অবদান, দর্শন ও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সি আবু সাইদ বলেন, কবিগুরু মানবতার কবি, জনতার কবি, মানুষের কবি। তার কবিতায় মানুষ ও মানবতার কথা বেশি ফুটে উঠেছে। তার সাহিত্যজগত ছিল মানুষের কল্যাণের জন্য। কবি ও কবিতা মানুষের মাঝে বসবাস করে। মানুষের জন্য প্রেম, মানুষের জন্য সমাজ এমন সত্যটা তিনি উপলব্ধি করে তার কবিতা ও গানের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টির মধ্যে গভীর বিজ্ঞান চেতনা লুকিয়ে আছে। তার ‘খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশুর আনমনে’ গানের ভেতরে কৃষ্ণ গহ্বর বা ব্ল্যাক হোলের মতো মহাবৈজ্ঞানিক সত্য এবং ‘বিশ্বজগৎ দেখব আমি আপন হাতের মুঠোয় পুরে’ চরণের মাধ্যমে আধুনিক অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্রযুক্তির আবহ ফুটে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, নজরুল শুধু প্রেমের বা দ্রোহের কবি নন, তিনি একাধারে সুফিবাদ, বৈষ্ণববাদ ও শাক্ত দর্শনসহ অন্তত সাতটি দর্শনে বিশ্বাসী ও পারদর্শী ছিলেন। সমাজে যতদিন অন্যায়, অবিচার ও শোষণ থাকবে, ততদিন নজরুলের বিদ্রোহ ও বিপ্লব সমানভাবে প্রাসঙ্গিক থাকবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবিব, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার হক, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অধ্যক্ষ পাভেল চৌধুরী, জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের জেলা সভাপতি মোস্তাক আহমেদ পলাশ, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন প্রমুখ।

আলোচনাসভা শেষে জেলা শিশু একাডেমির পরিচালনায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে স্থানীয় শিল্পীরা রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ২৭ কৃতী শিক্ষার্থীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, কবি, সাহিত্যিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)