স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
‘যে হাত ছবি আঁকে, সে হাতে মাদক বা অস্ত্র- কোনো অপরাধ করা যায় না।’
শনিবার বিকেলে চারুকলা চর্চা কেন্দ্র নান্দিক শিল্পীদের তিনদিনব্যাপী শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই কথা বলা হয়।
আলোচকরা বলেন, ছবিতে মনের কথা প্রকাশ পায়, শিল্পীরা সময়কে ধারণ করেন। যারা সময়কে উপজীব্য করে ছবি আকঁতে পারেন, তারাই প্রকৃত শিল্পী। সরল মনের আঁকা সেই সকল ছবি নিয়েই আজকের শিল্পের প্রদর্শন। এখানে কেউ নিছক প্রকৃতিকে ক্যানভাসে ধরেছেন, কেউ রঙ নিয়ে খেলা করেছেন, আবার কেউবা মনের বহমানতায় ধরা পড়া খেয়ালকেই রঙে রূপ দিয়েছেন।
চারুপীঠ আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর এস এম সুলতান ফাইন আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ মো. শামীম ইকবাল।
আফসানা জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চারুপীঠের সভাপতি হারুন অর রশিদ, শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বুলু, সুরবিতান সঙ্গীত অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব বিশ্বাস প্রমুখ।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নান্দিকের পরিচালক কৃষি গৌতম।
তিনদিনব্যাপী শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে দুইজন গুণীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তারা হলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তরিকত ইসলাম, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রওশন ইসলাম।
কৃষি গৌতম জানান, এবারের প্রদর্শনীটি কোনও বাঁধাধরা নিয়মে নয়, বরং বাঁধভাঙা আনন্দের বহির্প্রকাশ। নান্দিকের টিম বিভিন্ন জায়গায় আর্টক্যাম্প করে কেন্দ্রে একসাথে বসে ছবিগুলো এঁকেছেন।
প্রদর্শনীতে ২৬ শিশুসহ ৫৩ জন শিল্পীর শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, কৃষি গৌতম, বিপ্লব বিপ্রদাস, সাদি তাইফ, আবেদুর রহমান, ইকরা প্রিয়া, কৃষ্ণ বিশ্বাস, ফারহানা উর্মি, উত্তম বৈরাগী, মৌমিতা নদী, ফারজানা দিশা, সজল ব্যানার্জী, মনিশান্ত সরকার, ওয়ালিসা, সুপ্রিয়া, তনুশ্রী, চিরঞ্জিত, স্বাধীন হালদার, আনিশা জামান, আলামিন বাবু, সুরঞ্জনা, মোহিত, অর্পিতা পাল, হিরন্ময় সরকার প্রমুখ।
আগামী ২৯ জুন এই প্রদর্শনীর সমাপনি।