খুলনা অফিস
একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বালুর ২২তম হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার।
সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম।
স্মরণ সভায় বক্তৃতা করেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, ক্লাবের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন ও কাজী শামীম আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী ও মল্লিক সুধাংশু, ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, কার্যনির্বাহী সদস্য মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) ও কে এম জিয়াউস সাদাত, ক্লাব সদস্য আতিয়ার পারভেজ, রকিব উদ্দিন পান্নু, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, এ এইচ এম শামিমুজ্জামান, এস এম নূর হাসান জনি ও সরদার আবু তাহের।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী মোতাহার রহমান, সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য সোহেল মাহমুদ, ক্লাব সদস্য এস এম কামাল হোসেন,বাপ্পী খান, রিংটন মন্ডল, আল মাহমুদ প্রিন্স, মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, আলমগীর হান্নান, হুমায়ুন কবীর, আজিজুল ইসলাম, রবিউল গাজী (উজ্জ্বল), এস এম বাহাউদ্দিন, তিতাস চক্রবর্তী, হেলাল মোল্লা, আলী আবরার, সোহেল রানা, রফিক আলী, তুফান গাইন, ইমাম হোসেন সুমন, আনিছুর রহমান কবির, রাজু হাওলাদার, নূরুল আমিন নূর, মাসুম বিল্লাহ ইমরান, হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
এর আগে নেতৃবৃন্দ ক্লাব চত্বরে অবস্থিত শহিদ সাংবাদিক স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
এছাড়া স্মরণসভার শুরুতে সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুসহ নিহত সাংবাদিকদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এছাড়া মৃত্যুবরণকারী সকল সাংবাদিকদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ক্লাবের ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. ইউসুফ হাবিব।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, 'হুমায়ুন কবীর বালু ছিলেন একজন নির্ভীক সাংবাদিক। তার হত্যা মামলার পুনরায় তদন্ত এবং প্রকৃত আসামি এবং এর মদদদাতাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়।এছাড়া এই হত্যা মামলার আসামিদের সাজা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।
উল্লেখ্য, গত ২০০৪ সালের ২৭ জুন নগরীর ইসলামপুর রোডের দৈনিক জন্মভূমি ভবনের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় তিনি মৃত্যুবরণ বরণ করেন।