যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মোরেলগঞ্জে শিক্ষকদের জিপিএফের সাত কোটি টাকা গরমিল তদন্তে দুদক

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৭:১১ পিএম
আপডেট : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৭:২৬ পিএম
মোরেলগঞ্জে শিক্ষকদের জিপিএফের সাত কোটি টাকা গরমিল তদন্তে দুদক

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের (জিপিএফ) টাকা নিয়ে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তহবিলে এখন পর্যন্ত প্রায় সাত কোটি টাকার গরমিলের তথ্য সামনে এসেছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দুদকের একটি প্রতিনিধিদল মোরেলগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস ও সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করে।

বাগেরহাট জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কাইয়ুম হাওলাদার জানান, জালিয়াতির আশ্রয়ে শিক্ষকদের জিপিএফ ফান্ড থেকে টাকা ঋণ হিসেবে বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক থেকে তোলা হয়েছে। এসব লেনদেনের বিষয়ে শিক্ষা অফিস কোনো সঠিক নথি দেখাতে পারেনি। এছাড়া লেজার ও অনলাইন হিসাবের মধ্যেও ব্যাপক অসংগতি পাওয়া গেছে। নিয়ম অনুযায়ী ঋণের টাকা শিক্ষকের ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়ার কথা থাকলেও, জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে সরাসরি নগদে টাকা তোলার তথ্য মিলেছে।

তবে এতে শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না, পরোক্ষভাবে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেফাইনূর আরেফিন বলেন, শিক্ষকদের জিপিএফ ফান্ড থেকে টাকা তোলা হলেও সংশ্লিষ্ট অনেক শিক্ষক তা জানেন না। দিন দিন ভুক্তভোগী শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ছে। ইতোমধ্যে ১৪ জন শিক্ষক এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। শিক্ষকদের আশঙ্কা, অন্তত ৭০ জন শিক্ষকের জিপিএফ থেকে প্রায় দশ কোটি টাকা সরানো হয়ে থাকতে পারে।

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা তন্ময় গোস্বামী জানান, এ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এই অফিসের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় সাত কোটি টাকার গরমিল পাওয়া গেছে।

সোনালী ব্যাংক মোরেলগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম জানান, হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে অনুমোদিত বিল-ভাউচার এবং আনুষ্ঠানিক এমবসড সিলের মাধ্যমেই সব লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে শিক্ষকদের ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে ঋণের আবেদন ও অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি সামনে এসেছে। শিক্ষা ও হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি কয়েকজন শিক্ষকের সংশ্লিষ্টতার কথাও স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে জালিয়াতির প্রকৃত চিত্র এবং জড়িতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)