ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দি গ্রামে দাম্পত্য কলহের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গলা ও গোপনাঙ্গে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুমাইয়াকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মিরাজ বিশ্বাস (৫০) ওই গ্রামের আবু বকর বিশ্বাসের ছেলে। বর্তমানে তিনি শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মিরাজ বিশ্বাস বলেন, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে তিনি সুমাইয়া খাতুনকে বিয়ে করেন।
দুই-তিন দিন ধরে তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। এ সময় স্ত্রী তার সেবা করেননি। এ নিয়ে বুধবার তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে একটি থাপ্পড় দেন। রাতে তারা একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন।
মিরাজ বিশ্বাসের অভিযোগ, রাত ৩টার দিকে তিনি বাইরে যান। পরে ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়ার পর সুমাইয়া ব্লেড দিয়ে তার গলা ও গোপনাঙ্গে আঘাত করেন।
মিরাজের বাবা আবু বকর বলেন, বিয়ের পর থেকেই তার ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। বুধবার রাতে তারা একসঙ্গেই ছিলেন।
রাত ৩টার দিকে হঠাৎ মিরাজের চিৎকার শুনে তিনি জানতে পারেন, স্ত্রী সুমাইয়া তার গলা ও গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন। পরে তাকে দ্রুত শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্যা বলেন, আড়ুয়াকান্দি গ্রামে স্বামীর গলা ও গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগে সুমাইয়া নামের এক গৃহবধূকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।