যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

অনিয়মের বিরুদ্ধে কনটেন্ট তৈরি করতেন, এখন তিনি পর্নোগ্রাফি আইনে গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ৪ নভেম্বর,২০২৬, ১১:১৩ এ এম
আপডেট : বুধবার, ৪ নভেম্বর,২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
অনিয়মের বিরুদ্ধে কনটেন্ট তৈরি করতেন, এখন তিনি পর্নোগ্রাফি আইনে গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বরখাস্ত চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন সাহেব আলীর সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ দেবহাটা উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার আবদুল্লাহ আল মামুন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকরিচ্যুত সাবেক সদস্য ও স্থানীয় প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক করিম উল্লাহ মাস্টারের ছেলে।

এর আগে গত ১ নভেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেন আলমগীর হোসেন সাহেব আলী।

এ মামলায় সখীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জিসান বাবুলকে এক নম্বর, আবদুল্লাহ আল মামুনকে দুই নম্বর এবং ভুক্তভোগীর সাবেক স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মৌসুমিকে তিন নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় আরও দুই-তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামুন নিজেই পর্নোগ্রাফি, চাঁদাবাজি, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনটেন্ট তৈরি করতেন। এ কারণে তিনি বেশ আলোচিত ছিলেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রায় ছয়-সাত মাস আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মৌসুমিকে তালাক দেন আলমগীর হোসেন সাহেব আলী।

পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে ওই নারীর যোগাযোগ তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ভিডিও ও ছবি আগে থেকেই সংগ্রহে রেখেছিলেন তার সাবেক স্ত্রী। সেই ভিডিও সংগ্রহ করে আসামিরা গত ১৫ অক্টোবর ভুক্তভোগীর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান।

এরপর গত ২০ অক্টোবর আসামিরা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকায় সমঝোতা হলেও আসামিরা ব্ল্যাকমেইল অব্যাহত রাখেন। পরে গত ২৯ অক্টোবর ‘সখীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল’ নামের একটি ফেসবুক আইডি এবং ১ নভেম্বর মামুনের নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ওই আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

বাদী সাহেব আলী জানান, সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানির উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। নিরুপায় হয়ে তিনি ডিজিটাল প্রমাণসহ সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির জানান, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)