মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরে দিনের বেলায় ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে এক গৃহবধূকে মারধর করে ৬ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামে সাহেব আলীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, জমি কেনার জন্য বিদেশ থেকে পাঠানো জামাতার টাকা লুট করতেই এই হামলা চালিয়েছে তিন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত।
খবর পেয়ে মণিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানার কোন মামলা বা অভিযোগ হয়নি।
ভুক্তভোগী পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় বাসুদেবপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, স্ত্রী আকলিমা ও মেয়ে শারমিন লিমাকে নিয়ে সাহেব আলী বাড়িতে থাকেন। তার ছেলে ও মেয়ে লিমার স্বামী বিদেশে কর্মরত। জামাই বিদেশে থাকায় মেয়ে লিমা বাবার বাড়িতে থাকে।
ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, একটা জমি কেনার জন্য লিমার স্বামী তার নামে ২০ লাখ টাকা পাঠিয়েছে। বিকাশ ও দুটি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ঘরে রেখেছিল লিমা। সোমবার বিকেলে সাহেব আলী ও লিমা বাড়িতে ছিল না। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আসরের নামাজ আদায়ের জন্য বাইরে থেকে ওযু করে ঘরে ঢুকে ভিতরে মুখোশধারী তিনজনকে দেখতে পান আকলিমা বেগম। তখন তিনি চিৎকার দিলে দুর্বৃত্তরা তাকে মারপিট করে গলায় ছুরি ধরে জিম্মি করে ফেলে। এরপর তারা ৬ লাখ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।
ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন আরও বলেন, ২০ লাখ টাকা তিন ভাগ করে ঘরে তিন স্থানে রাখা ছিল। তারমধ্যে একটি শপিং ব্যাগে রাখা ছিল ৬ লাখ। ওই টাকাটা দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে।
মণিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বদরুজ্জামান মোল্লা বলেন, টাকা ঘরের বিভিন্ন স্থানে রাখা ছিল। সব টাকা ওরা (ভুক্তভোগী পরিবার) খুঁজে পেয়েছে। এঘটনা অভিযোগ হওয়ার মত না। মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রজিউল্লাহ খান বলেন, টাকা লুটের ঘটনা মিথ্যা।