যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বেনাপোলে ইউনুস হত্যায় জড়িত সন্দেহে আরেকজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : সোমবার, ২৫ মে,২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
আপডেট : সোমবার, ২৫ মে,২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
বেনাপোলে ইউনুস হত্যায় জড়িত সন্দেহে আরেকজন আটক

বেনাপোলে নিরাপত্তাকর্মী ইউনুস আলী (৪৭) হত্যা মামলায় জড়িত আরও এক আসামিকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে পিবিআই বলছে। আটক আসামির নাম সোহেল রানা। তিনি বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের কুদ্দুস সিকদারের ছেলে।

রোববার (২৪ মে) রাতে শার্শার গোগা বাগানপাড়া এলাকা থেকে সোহেলকে আটক করা হয় এবং আজ সোমবার (২৫ মে) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে এ মামলায় তরিকুল ইসলাম ও সবুজ হোসেন নামের আরও দুই আসামিকে আটক করা হয়েছিল।

পিবিআই বলছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আটক সোহেল রানা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ার ও নিহত ইউনুস তার ঘরে যান। সেখানে আনোয়ারের কথামতো সোহেল দশ পিস ইয়াবা কিনে আনেন। এর মধ্যে একটি ইয়াবা সোহেল নিজে এবং বাকি নয়টি আনোয়ার ও ইউনুস সেবন করেন। কিছু সময় পর ইউনুস ঢলে পড়লে আনোয়ার জানান যে, তিনি কৌশলে ইয়াবার সাথে ইউনুসকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়েছেন। এরপর ইউনুস অচেতন হয়ে পড়লে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পিবিআই এর পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, মূলত পারিবারিক জটিলতা ও পূর্বের দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিহতের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিয়ে, বিচ্ছেদ এবং পুনরায় সংসার গঠন নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের জেরে ইউনুসকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

গত ২২ এপ্রিল কৌশলে তরিকুল ইসলাম নিহত ইউনুস আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে রহমতপুরের একটি বাড়িতে নিয়ে যাস। সেখানে আনোয়ারসহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করে এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে সবুজের মোটরসাইকেলে করে মরদেহ বেনাপোল-পুটখালী সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বেনাপোল পোর্ট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই যশোর। পিবিআই-এর এসআই রতন মিয়া তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে গত ২৭ এপ্রিল রাতে গোপালগঞ্জ থেকে প্রথমে তরিকুল ইসলামকে আটক করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যে সবুজ হোসেন এবং সর্বশেষ রোববার রাতে সোহেল রানাকে আটক করা হয়।

পিবিআই জানিয়েছে, এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ার হোসেন এখনো পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)