যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ক্রেডিট কার্ড জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য আটকের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট,২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট,২০২৬, ০৯:০৩ পিএম
ক্রেডিট কার্ড জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য আটকের দাবি

ক্রেডিট কার্ড জালিয়াত চক্রের দুই সদস্যকে আটকের কথা জানিয়েছে যশোর সিআইডি পুলিশ।

যশোর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গত বুধবার (১৯ আগস্ট) দিনাজপুর থেকে তাদের আটক করা হয়।

এরা হলেন, দিনাজপুর সদর উপজেলার উত্তর রামনগর গ্রামের শাহিনুর রহমান শাহিন (৫০) ও একই উপজেলার বাহাদুরপুর বাজার এলাকার এতোবাড়ি গুপ্তার ছেলে সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)।

সিআইডি যশোর জোনের ইন্সপেক্টর প্রভাস মল্লিক জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর ইউনিক হসপিটালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাফায়েত হোসেন যশোর মুজিব সড়কে অবস্থিত ‘সেইলর’ নামে একটি পোশাকের দোকানে কেনাকাটা করে ইবিএল’র একটি ক্রেডিট কার্ড থেকে বিল পে করতে যান। সেই সময় জটিলতা দেখা দেয় এবং ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে।

পরবর্তীতে ৩১ ডিসেম্বর সেইলারের কাস্টমার কেয়ারের কর্মকর্তা পরিচয়ে একজন তাকে ফোন দিয়ে ক্রেডিট কার্ডের পিন নাম্বার চান। তিনি সরল বিশ্বাসে তা দিয়ে দেন। পরে দেখতে পান তার ক্রেডিট কার্ড থেকে তিন লাখ ৪১ হাজার টাকা ছয়টি বিকাশ নম্বরে চলে গেছে। এই ঘটনায় ডা. সাফায়েত আদালতে একটি জালিয়াতির মামলা করেন যা ২০২৩ সালের ২১ মার্চ কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত এজাহার হিসেবে রেকর্ড হয়।

মামলাটি তদন্ত করে যশোর সিআইডি জোনের পুলিশ। সিআইডির তৎকালীন এসআই রফিকুল ইসলাম এই মামলায় কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বাবনাছানা গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে জনি ইসলাম এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার পশ্চিম দেওভোগ বাংলাবাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে আবু সাঈদ শাওনকে আটক করেন। তারা আদালতে জবানবন্দী দেন।

জবানবন্দী অনুযায়ী এই জালিয়াতির সাথে শাহীন ও সঞ্জয় জড়িত বলে তারা জানায়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের খোঁজ করতে থাকে এবং গত ১৯ আগস্ট দিনাজপুর থেকে তাদের আটক করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, আটক শাহিন মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবির সিম কার্ড বিক্রি করে। সিম কার্ড বিক্রির সময় গ্রাহকের কাছ থেকে একাধিকবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে। ওই ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে একাধিক সিম কার্ড নিয়ে তা অন্যত্র বিক্রি করে। এরপর ওই সিম কার্ড দিয়ে নানা ধরনের জালিয়াতি করে থাকে গ্রুপটি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের আদালতের সোপর্দ করা হয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)