যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

১৪০ দিন পর উত্তোলন, দেশের পথে আফগান নাগরিকের মরদেহ

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৭:২৬ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
১৪০ দিন পর উত্তোলন, দেশের পথে আফগান নাগরিকের মরদেহ

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফনের ১৪০ দিন পর ঝিনাইদহ পৌর কেন্দ্রীয় গোরস্তান থেকে উত্তোলন করা হয়েছে আফগানিস্তানের নাগরিক হাসমত মোহাম্মদীর মরদেহ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। মরদেহ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান, মেডিকেল অফিসার ফারহানা তাসনিম, ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহেশপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান, নিহতের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মাসুম, নিহত হাসমত মোহাম্মদীর ভাই ইমাল মোহাম্মদী, ঝিনাইদহ আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের দুলাল হোসেন এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।

মরদেহ পাওয়ার পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নিহতের ভাই ইমাল মোহাম্মদী। তিনি বাংলাদেশ সরকার, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘অসুস্থ মায়ের কাকুতি-মিনতির কারণে আমার ভাইয়ের দেহটি অন্তত নিজের দেশের মাটিতে নিয়ে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করতে নিয়ে যাচ্ছি, এটাই আমাদের জন্য পরম সান্ত্বনা। দীর্ঘ প্রতীক্ষায় বাংলাদেশ সরকার ও ঝিনাইদহের স্থানীয় প্রশাসন আমাদের যে আন্তরিক সহযোগিতা করেছে, তার জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ।’

নিহতের বাংলাদেশি আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মাসুম জানান, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং আইনি সকল প্রক্রিয়া শেষেই আজ লাশ উত্তোলন করা সম্ভব হয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান জানান, আইনগত সকল নিয়ম-কানুন মেনে এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিশ্চিত করেই আফগান নাগরিক হাসমত মোহাম্মদীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতী নদী থেকে হাসমত মোহাম্মদীর ভাসমান অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ও বিজিবি। পিবিআই জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেজে কোনো মিল না পাওয়ায় ১৪ এপ্রিল আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে ঝিনাইদহ পৌর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দেখে পরিবার তাকে শনাক্ত করে।

মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নিতে তার ভাই ইমাল মোহাম্মদী প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ দীর্ঘ ৫৮ দিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন। অবশেষে মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র প্রাপ্তিসাপেক্ষে মঙ্গলবার দাফনের ১৪০ দিন পর মরদেহটি তুলে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)