যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কয়রায় সংঘর্ষে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু: বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর,২০২৬, ১২:১৫ পিএম
কয়রায় সংঘর্ষে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু: বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

খুলনার কয়রায় সরকারি জমি ও কলাগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুরুতর আহত পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানীর (৫২) মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন শেষে উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের রাজ্জাক চেয়ারম্যানের মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রিয়জন হারানোর শোক বুকে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন তার পরিবারের সদস্য, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, মনিরুজ্জামান বেল্টু, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুল আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম খোকা, উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের সভাপতি এম আনোয়ার হোসেন, নিহত গোলাম রব্বানীর মেয়ে বৈশাখী ও ছেলে বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একজন মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়েছে, যা অত্যন্ত মর্মান্তিক। গোলাম রব্বানীর মৃত্যুর সঠিক কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পশ্চিম মঠবাড়ি গ্রামে ১৩ শতক সরকারি জমির দখল ও কলা কাটাকে কেন্দ্র করে গোলাম রব্বানী এবং তার চাচাতো ভাই সিদ্দিক সরদারের (২৬) পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এতে গোলাম রব্বানীসহ চারজন গুরুতর আহত হন। আহত অন্যরা হলেন—তার ছেলে বিল্লাল সরদার (১৭), স্ত্রী নাজমা খাতুন (৩৮) ও মা রাহিলা বেগম (৫৫)।

আহতদের প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গোলাম রব্বানীর অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি। তবে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আজমিরা খাতুন (১৮) ও তাসলিমা বেগম (৩৫) নামের দুই নারীকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে গোলাম রব্বানীর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় গভীর শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)