যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ভাসুরের বাড়িতে গিয়ে লাশ হলেন গৃহবধূ

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর,২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:৪২ পিএম
ভাসুরের বাড়িতে গিয়ে লাশ হলেন গৃহবধূ

ভাসুরের বাড়িতে বেড়াতে আসা সাথী খানম (২৩) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নড়াইলের লোহাগড়া শহরের গোপীনাথপুর ব্যাপারিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সাথী খানম লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের বৈকণ্ঠপুর গ্রামের খাজা বিশ্বাসের মেয়ে। তার স্বামীর বাড়ি একই উপজেলার দিঘলিয়া সাহাপাড়ায়। তার স্বামী শাহাবুল ইসলাম পাখি প্রায় দুই বছর ধরে সৌদি আরব প্রবাসী।

ঘটনার আগের দিন সাথী তার ভাসুর পলাশ শেখের বাড়িতে বেড়াতে যান। তার সঙ্গে ছিল তিন বছর বয়সী ছেলে রাজ।

পলাশ শেখ বলেন, বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাথী তাদের সঙ্গে কথা বলে অন্য একটি কক্ষে যান। তার সন্তান তাদের সঙ্গে ছিল। প্রায় আধা ঘণ্টা পর শিশুটি ওই কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ দেখতে পায়। অনেক ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় তিনি ও তার স্ত্রী ডাকাডাকি করেন। তাতেও সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকিয়ে সাথীকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

পলাশ শেখের বাড়ির ভাড়াটিয়া ইয়াসিন জানান, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সাথী তার কক্ষের কলিং বেল চাপলে তিনি বাইরে আসেন। এ সময় সাথী তাকে বলেন, পলাশ শেখ ফোন করলে বা কিছু জানতে চাইলে মোটরসাইকেলে আসা এক ব্যক্তি তার বাসায় এসেছিলেন- এ কথা জানাতে। এরপর ইয়াসিন নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে বাইরে চিৎকার শুনে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উঠে সাথীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান বলে জানান তিনি।

নিহতের বাবা খাজা বিশ্বাস বলেন, বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পলাশ শেখ তাকে ফোন করে মেয়ের সমস্যা হয়েছে জানিয়ে দ্রুত বাড়িতে যেতে বলেন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে সেখানে পৌঁছে তিনি মেয়ের মরদেহ দেখতে পান। এ ঘটনায় তিনি লোহাগড়া থানায় লিখিত অপমৃত্যুর সংবাদ দিয়ে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।

সাথীর মা নাছিমা বেগম বলেন, ‘আমার ভালো মেয়েটা তাদের বাসায় গেল। কী এমন ঘটলো যে তাকে আত্মহত্যা করতে হয়েছে। আমি ঘটনার সঠিক তদন্ত চাই, বিচার চাই।’

লোহাগড়া থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে গোপীনাথপুর ব্যাপারিপাড়া এলাকায় এক নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সাথী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহনন করেছেন।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

 

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)