যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

খুলনা সিটি মেডিকেলের কার্যক্রম শুরু করতে সময় লাগবে

খুলনা অফিস

প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ জুন,২০২৬, ০৯:২১ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ১২ জুন,২০২৬, ১১:১০ পিএম
খুলনা সিটি মেডিকেলের কার্যক্রম শুরু করতে সময় লাগবে

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা প্রায় ২৫০ রোগীকে মহানগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আগুনে হাসপাতালের দুটি অক্সিজেন প্লান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালটি ফের চালু করতে অন্তত তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে হাসপাতালের বেজমেন্টে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এ ঘটনায় কোনো রোগীর প্রাণহানি বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হামিদুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় হাসপাতালে প্রায় ২৫০ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে আদ-দ্বীন হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল উল্লেখযোগ্য। বাইপাস সার্জারি করা ছয়জন রোগীকেও আদ-দ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগুনে হাসপাতালের দুটি অক্সিজেন প্লান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আতঙ্কের মধ্যে রোগীর স্বজন ও উপস্থিত লোকজনের কারণে কিছু ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও কোনো লুটপাট হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাকির হোসেন জানান, হাসপাতালের জেনারেটর থেকে শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে খুলনা সদর ফায়ার স্টেশনের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পাঁচটি ইউনিট কাজ শুরু করলেও পরে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় আরও ইউনিট যুক্ত করা হয়। শেষ পর্যন্ত ১২টি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেজমেন্ট এলাকায় বিকট শব্দ শোনার পরপরই আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে জেনারেটর কক্ষ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। এতে রোগী, স্বজন ও হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা অংশ নেন। ক্রেন/ল্যাডার ব্যবহার করে ভবনের বিভিন্ন তলা থেকে রোগী ও স্বজনদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি কমাতে ফায়ার ফাইটাররা হাসপাতালের কাচ ভেঙে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করেন।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের সময় বিপুল সংখ্যক মানুষের ভিড় উদ্ধার কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। পাশাপাশি মোবাইল নেটওয়ার্ক সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ায় রোগীদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)