যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ফলোআপ: কালিগঞ্জে জোড়া খুন

ফারজানা ও সুমাইয়ার দাফন সম্পন্ন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ২২ জুলাই,২০২৬, ১০:৫৮ পিএম
আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই,২০২৬, ১১:১৫ পিএম
ফারজানা ও সুমাইয়ার দাফন সম্পন্ন

কালিগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে হত্যা এবং পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত নারীকে পিটিয়ে মারার ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ছাত্রীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হলেও প্রতিপক্ষের হামলার আশঙ্কায় অপর নিহতের লাশ সময়মতো দাফন করা সম্ভব হয়নি।

বুধবার বিকেল পর্যন্ত লাশটি হাসপাতালের মর্গে ছিল। তবে, রাত নয়টার দিকে তার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাতেই পুলিশি নিরাপত্তায় মরদেহ দাফন করা হয় বলে জানান স্বজনরা। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডাক্তার মাহফুজ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা সুলতানা গত সোমবার সকালে স্কুলে যায়। ক্লাসরুমে ব্যাগ রেখে বের হওয়ার পর তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান স্কুলের সামনের ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুমাইয়া আক্তার। সেখানে ফারজানাকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ আলমারির ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখা হয়। কানের এক জোড়া সোনার দুল ছিনিয়ে নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে জানা গেছে।

খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দারা সুমাইয়ার আলমারিতে লাশ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে সুমাইয়াকে বাড়িতে ডেকে আনা হয়। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে লাশ উদ্ধারের সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশি জিম্মি দশা থেকে সুমাইয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে ইট দিয়ে থেঁতলে ও পিটিয়ে হত্যা করে। এ সময় তার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগও করা হয়।

মঙ্গলবার সদর হাসপাতালের মর্গে দুটি লাশের ময়নাতদন্ত শেষে ফারজানার দাফন পারিবারিক কবরস্থানে সম্পন্ন হয়। তবে, সুমাইয়ার লাশ গ্রামে আনলে নতুন করে হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে- এমন গুঞ্জনে তার স্বজনরা লাশ গ্রহণ করতে সাহস পাননি। ফলে, বুধবার বিকেল পর্যন্ত লাশ মর্গে পড়ে ছিল। সুমাইয়ার স্বামী ঢাকায় থাকলেও আশঙ্কায় বাড়ি ফিরতে পারছেন না এবং তাদের তিন বছরের শিশুসন্তানকে নানির জিম্মায় রাখা হয়েছে।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বুধবার বিকেলে জানান, লাশ দাফনে কোনো সমস্যা হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেবে। এ জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)