যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি

যৌন হয়রানির বিচার দাবিতে খুবি শিক্ষকের ‘পুত্তলিকা দহন’

খুবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন,২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন,২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
যৌন হয়রানির বিচার দাবিতে খুবি শিক্ষকের ‘পুত্তলিকা দহন’

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং এ বিষয়ে ওই শিক্ষকের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে তার ‘পুত্তলিকা দহন’ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের প্রতীকী পুত্তলিকায় আগুন দেন। 

এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিমেষ দে বলেন, ‘অতীতে বিভিন্ন ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলেও আমরা আর এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাইনা। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবেনা। আমরা তাকে আর আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখতে চাইনা। আমরা তার স্থায়ী বহিস্কার চাই।’

একই বর্ষের তানভীর বিন মুহিত বলেন, ‘একজন শিক্ষক তার অবস্থান ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের প্রতি অনৈতিক আচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত হলে তা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য উদ্বেগজনক। আমরা এই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার চাই।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের এক শিক্ষার্থী অধ্যাপক ড. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। ওই শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীকে অশালীন ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীও ওই শিক্ষক সম্পর্কে তাদের একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্র তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্ত শিক্ষককে ডিসিপ্লিন প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। 

অভিযোগের বিষয়ে ড. রেজাউল ইসলাম সম্প্রতি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, তার মোবাইল ফোন হারিয়ে যায় ফেব্রুয়ারিতে এবং এরপর থেকেই তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট অপব্যবহার হয়ে থাকতে পারে।

তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই সময়ের পরও তার সঙ্গে একাধিকবার একাডেমিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে। এমনকি সম্প্রতি তিনি নিজের প্রোফাইল থেকে গবেষণা-সংক্রান্ত সংবাদও শেয়ার করেছেন। এছাড়া সাম্প্রতিক ঘটনার পর বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)